গত ইংরেজি ৭ ই নভেম্বর রাত্রি আনুমানিক ১০:৩০ মিনিট নাগাদ তাপস রায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পাশের বাড়ি জেঠাতো দাদার বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে জেঠাতো দাদার স্ত্রী তথা তাপস রায়ের বৌদি নতুন মোবাইল ক্রয় করে বলে তাপস রায় কে তার বৌদি মোবাইলের সেটিং ঠিক করে দিতে বলে। কিছুক্ষণের মধ্যে নাকি তাপসের মোবাইলে এসএমএস বা কল আসে বলে তার বৌদি বলে যে মোবাইল ভাইব্রেশন করা ছিল তাই আমি কিছু বুঝতে পারি নাই। কিন্তু যখন ভাইব্রেশন হয় তখন আমার মোবাইল ফোনটি আমাকে দিয়ে তাপস রায় আমার ঘর থেকে বেরিয়ে চলে যায়। কোথায় যায় সে ব্যাপারে আমাকেও কিছু বলেনি এবং আমিও কোন কিছু জিজ্ঞেস করিনি। এদিকে তাপস রায়ের বাবা-মা ও বাড়িতে ছিল না বলে জানায় তাপস রায়ের বৌদি। পরের দিন তথা ৮ ই নভেম্বর তাপস রায়কে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরেও যেহেতু পাওয়া গেল না,তাই ৮ ই নভেম্বর সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়িতে তাপস রায়ের নামে মিসিং ডায়েরি করা হয়। অনেকে ধারনা অনেক রকম ছিল বলেও তারা সকলেই চুপ করেছিল কিন্তু আজকে যখন নদীতে ভাসতে দেখা গেল তাপস রায়ের মৃতদেহ তখন সবাই অবাক হয়ে যায়। তখন আর খবর দেওয়া হয় সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়িতে। সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ছুটে আসেন সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির মেজ বাবু নির্মল বর্মন ওনার সঙ্গে আসেন ভবানীপ্রসাদ রায়, শুভ্রসেন।এরপর নদী থেকে তাপস রায়ের মৃতদেহ তুলে ময়না তদন্তের জন্য পুলিশ আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েদিয়েছে। এখন সাধারণ মানুষের মনে তথা আত্মীয়স্বজনের মধ্যে বিরাট চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে পরেছে তাপস রায় নাকি স্বচ্ছ এবং ভালো ছেলে ছিলেন। তাহলে কেনই এরকম ধরনের দুর্ঘটনার স্বীকার হতে হলো তাপস রায়কে। অনেকে বলছে তাকে খুন করা হয়েছে আবার কেউ কেউ বলছে যে হয়তো সে মদ খেয়ে নদীতে পড়ে গেছে কিন্তু যে জায়গায় তাপস রায়ের চপ্পল ভাসতে দেখা গেল সেই নদীর পানিতে বসে নাকি তাপস রায় মোবাইলে গেম খেলত। এখন জানার বিষয় হলো তাপস রায়ের আসল মৃত্যুর কারণ কি? শালকুমার থেকে মনোরঞ্জন রায়ের প্রতিবেদন।

