জোর দিয়ে বলছি, লিখে রাখুন, অন্য কোনও দল বীরভূম কেন্দ্রে কিন্তু জিতবে না

জোর দিয়ে বলছি, লিখে রাখুন, অন্য কোনও দল বীরভূম কেন্দ্রে কিন্তু জিতবে না। তাই কর্মের ভিত্তিতে না দিয়ে ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিলে আপনি কিন্তু সেই ভোটটা নষ্ট করবেন। সেই প্রার্থী যদি না-ই জেতে তাহলে তাঁকে ভোটটা দিয়ে কী হবে? রবিবার নলহাটি-২ ব্লকের একের পর এক গ্রামের সভায় এমনই আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা যায় তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের গলায়।
চৈত্রের প্রখর রোদ উপেক্ষা করে রবিবার গ্রামে ঘুরে ঘুরে প্রচার সারেন শতাব্দী। এদিন প্রথম তিনি নলহাটি-২ ব্লকের নপাড়া অঞ্চলের উজিরপুর গ্রামে যান। সেখানে বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্প বৃষ্টির মধ্য দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। বিশেষ করে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। যা দেখে আপ্লুত শতাব্দী।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও আমাকে প্রার্থী করেছেন। ১৩ মে আমাকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি। কিন্তু, কেন আমাকে ভোট দেবেন? আপনারা আমাকে নায়িকা থেকে সাংসদ বানিয়েছেন। আপনারা আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। গত ১৫ বছর ধরে সেই ভালোবাসা নষ্ট হওয়ার মতো কোনও কাজ আমি করিনি। আপনারা যে ভরসা রেখেছেন, আমার ক্ষমতা মতো সেই কাজ আমি করে দেখিয়েছি। আগামী দিনেও করব। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে শতাব্দী বলেন, এমন কেউ নেই, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির কোনও না কোনও প্রকল্পের সুবিধা পাননি। তাই বলব, যে মানুষটা আপনাদের কথা ভাবে, সেই দলকে ভোট দিন। ১০০ শতাংশ না হলেও এই মঞ্চে উপস্থিত নেতারাই কিন্তু আপনাদের প্রয়োজন মেটান। আপনাদের পাশে থাকেন। তাহলে ইলেকশনের সময় কেউ পোস্টার, ব্যানার লাগিয়ে ভোট চাইলে দেবেন? তিনি আরও বলেন, এই মাস থেকেই মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রকল্পের বর্ধিত টাকা পেতে শুরু করবেন। ভোটের আগে দু’বার পেয়ে যাবেন। এটা বলার কারণ, সব দল এসে বলে ভোট দাও, এটা ওটা করে দেব। কিন্তু, আমরা বলছি, এটা আমরা করেছি, এবার ভোট দাও। জোর দিয়ে বলছি, বীরভূমে অন্য কোনও দল জিতবে না।
এরপর শতাব্দী গোকুলপুর গ্রামে যান। সেখানে গ্রামের এক কিমি রাস্তা সংস্কারের দাবি তুলে শতাব্দীকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা জানান, এক হাঁটু কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এই পথে হাঁটতে হবে প্রার্থীকে। পরে মাইক হাতে শতাব্দী বলেন, এই রাস্তা পাকা করার জন্য ৮০ লক্ষ টাকা অনুমোদন হয়েছে। ইলেকশনের জন্য কাজ শুরু হয়নি। এতদিন যখন অপেক্ষা করলেন, আর কয়েকটাদিন অপেক্ষা করুন। প্রধানকে বলছি, আপাতত মানুষের চলাচলের জন্য পাথরের গুঁড়ো দিতে। এদিন নিধিয়া, আসুরিয়া, বেলুয়া সহ শীতলগ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রামে সভার মধ্য দিয়ে প্রচার সারেন। দুপুরে নগরা গ্রামের দলীয় কর্মীর বাড়িতে আলুপোস্ত ও মাছ দিয়ে ভাত খেয়ে তিনি ফের প্রচারে বেরিয়ে পড়েন। সর্বত্র মানুষজন প্রার্থীকে ফুল ছিটিয়ে বরণ করে নেন। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, মানুষ তৃণমূল প্রার্থীর অভিনয় গত ১৫ বছর ধরে দেখেছেন। আর দেখতে চাইছেন না তাই কর্মের ভিত্তিতে না দিয়ে ধর্মের ভিত্তিতে ভোট দিলে আপনি কিন্তু সেই ভোটটা নষ্ট করবেন। সেই প্রার্থী যদি না-ই জেতে তাহলে তাঁকে ভোটটা দিয়ে কী হবে? রবিবার নলহাটি-২ ব্লকের একের পর এক গ্রামের সভায় এমনই আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা যায় তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের গলায়।
চৈত্রের প্রখর রোদ উপেক্ষা করে রবিবার গ্রামে ঘুরে ঘুরে প্রচার সারেন শতাব্দী। এদিন প্রথম তিনি নলহাটি-২ ব্লকের নপাড়া অঞ্চলের উজিরপুর গ্রামে যান। সেখানে বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্প বৃষ্টির মধ্য দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। বিশেষ করে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। যা দেখে আপ্লুত শতাব্দী।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও আমাকে প্রার্থী করেছেন। ১৩ মে আমাকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি। কিন্তু, কেন আমাকে ভোট দেবেন? আপনারা আমাকে নায়িকা থেকে সাংসদ বানিয়েছেন। আপনারা আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। গত ১৫ বছর ধরে সেই ভালোবাসা নষ্ট হওয়ার মতো কোনও কাজ আমি করিনি। আপনারা যে ভরসা রেখেছেন, আমার ক্ষমতা মতো সেই কাজ আমি করে দেখিয়েছি। আগামী দিনেও করব। সাধারণ মানুষের উদ্দেশে শতাব্দী বলেন, এমন কেউ নেই, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির কোনও না কোনও প্রকল্পের সুবিধা পাননি। তাই বলব, যে মানুষটা আপনাদের কথা ভাবে, সেই দলকে ভোট দিন। ১০০ শতাংশ না হলেও এই মঞ্চে উপস্থিত নেতারাই কিন্তু আপনাদের প্রয়োজন মেটান। আপনাদের পাশে থাকেন। তাহলে ইলেকশনের সময় কেউ পোস্টার, ব্যানার লাগিয়ে ভোট চাইলে দেবেন? তিনি আরও বলেন, এই মাস থেকেই মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রকল্পের বর্ধিত টাকা পেতে শুরু করবেন। ভোটের আগে দু’বার পেয়ে যাবেন। এটা বলার কারণ, সব দল এসে বলে ভোট দাও, এটা ওটা করে দেব। কিন্তু, আমরা বলছি, এটা আমরা করেছি, এবার ভোট দাও। জোর দিয়ে বলছি, বীরভূমে অন্য কোনও দল জিতবে না।
এরপর শতাব্দী গোকুলপুর গ্রামে যান। সেখানে গ্রামের এক কিমি রাস্তা সংস্কারের দাবি তুলে শতাব্দীকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা জানান, এক হাঁটু কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এই পথে হাঁটতে হবে প্রার্থীকে। পরে মাইক হাতে শতাব্দী বলেন, এই রাস্তা পাকা করার জন্য ৮০ লক্ষ টাকা অনুমোদন হয়েছে। ইলেকশনের জন্য কাজ শুরু হয়নি। এতদিন যখন অপেক্ষা করলেন, আর কয়েকটাদিন অপেক্ষা করুন। প্রধানকে বলছি, আপাতত মানুষের চলাচলের জন্য পাথরের গুঁড়ো দিতে। এদিন নিধিয়া, আসুরিয়া, বেলুয়া সহ শীতলগ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রামে সভার মধ্য দিয়ে প্রচার সারেন। দুপুরে নগরা গ্রামের দলীয় কর্মীর বাড়িতে আলুপোস্ত ও মাছ দিয়ে ভাত খেয়ে তিনি ফের প্রচারে বেরিয়ে পড়েন। সর্বত্র মানুষজন প্রার্থীকে ফুল ছিটিয়ে বরণ করে নেন। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, মানুষ তৃণমূল প্রার্থীর অভিনয় গত ১৫ বছর ধরে দেখেছেন। আর দেখতে চাইছেন না