মলয় দে নদীয়া:- একটানা সূর্যের প্রখর কিরণে নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের। জনজীবন আবারো অঘোষিত লকডাউনের পথে। ফল এবং ঠান্ডা পানীয় ছাড়া বাকি সবই প্রায় অবিক্রিত। মাছে ভাতে বাঙালির মুখে তেতো আর টক ছাড়া, রূচছে না কিছুই।
ফলে মাছেও অনিহা, শিঙি মাগুর পুঁটি টেংরা কই এ ধরনের মাছে জলের অভাবে নানান রকম রোগ হতে শুরু করেছে। যদিও এটা প্রতিবছরই হয় তবে এবার, সমস্যাটা আরো বেড়েছে। পুকুর ডোবা ভেড়ি খাল বিলে রুই কাতলা মৃগেল বাটা সিলভার কাপ সহ প্রায় সব ধরনের মাছই পূর্ণবয়স্ক না হতেই জল থেকে তুলে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন মৎস্যজীবীরা। কারণ দুপুরের পরে বিকালে ভেসে উঠছে মাছ, প্রচন্ড রৌদ্রের উত্তাপে ঘটছে এ ধরনের ঘটনা।
আজ শান্তিপুর ব্রহ্মা তলা পাইকারি মাছের আড়তে, এমনই নানান কথা শোনালেন দীর্ঘদিন ধরে মাসের ব্যবসা করা বিক্রেতা এবং পাইকারি আড়ৎদাররা। শান্তিপুর ব্লকের বাবলা গোবিন্দপুর সহ বিভিন্ন গ্রামে পুকুরে এখন জলশূন্য ফুটি ফাটা চেহারা। মৎস্যজীবীরা আন্দাজ করছেন এভাবে দীর্ঘদিন চললে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে মাছের ডিম ছাড়ার প্রক্রিয়া। ফলে কিছুদিন বাদে বর্ষা আসলেও তখন চারা মাছের অভাব হতে পারে।
স্থানীয় মাছের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে আমদানিকৃত মাছের কি অবস্থা বুঝতেই পারছেন।
খুব বড়সড়ো মাছ ছাড়া, এক দেড় কেজি দু কেজি ওজনের রুই কাতলা আমদানি প্রায় বন্ধ।

