এ যেন মধ্যযুগীয় বর্বরতার নির্দশন।ছাগল বাধা দড়ি দিয়ে হাত বেধে বালককে গণপ্রহার।চলে পাশবিক অত্যাচার।গ্রামের কয়েকটি পরিবারের একদল সদস্য মাটিতে ফেলে লাঠিসাটা,বাঁশ ও লাথি-ঘুষি দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয় বালককে বলে অভিযোগ।আধমরা অবস্থায় পুলিশের তৎপরতায় রক্ষা পায় ওই ১২ বছরের বালক। পাশবিক অত্যাচারের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই উঠছে নানান প্রশ্ন।যদিও ছবির সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাফ প্যান্ট পড়া এক যুবক ছাগল বাধা দড়ি দিয়ে পা বেধে রেখেছে।পাশেই রয়েছে অনেকে।চলে অত্যাচার।মোবাইল চুরির সন্দেহে এমন ঘটনা বলে জানিয়েছেন আক্রান্তের পরিবার।
মালদহের চাঁচল থানার অদূরে হারোহাজরা গ্রামের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
পুলিশ বালককে ধূলোমাখা অবস্থায় উদ্ধার করে চাঁচল সুপার স্পেশাল্যাটি হাসপাতালে ভর্তি করে ।আশঙ্কাজন অবস্থায় হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন।হাত পা ভেঙে গিয়েছে,পেট ফুলে রয়েছে বলে পরিবারের দাবি।ঘটনা নিয়ে সোমবার দশজনের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বালকের বাবা রকিম আলী।দোষীদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক ,পুলিশের কাছে দাবি জানিয়েছে অভিযোগকারী।
পরিবারের দাবি,এলাকারই ফল্টুস আলীর গ্রীল কারখানায় কাজ শিখতে শুরু করেছে ছেলে।খেলার ছলে মালিকের মোবাইল নেন সে।পরে আবার ফেরত দেওয়া হয় মোবাইলটি বলে দাবি পরিবারের।তারপরেও চোর সন্দেহ করে।চুরির কথা স্বীকার না করায় চলে ব্যাপক মারধর।সাতসকালে গ্রীল কারখানার পাশেই চলে মারধর বলে অভিযোগ।মাজেদুল আলী,ফল্টুস আলী,সাবির আলী,সকিম আলী ও লিলুকা বিবি সহ মোট দশজনের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় মারধরের লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগ পেয়েছি।মামলা রুজু করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

