প্রায় চার ঘন্টা পরে মুক্তি পেলেন লরির চালক আলতাফ মডল।
পথ দুর্ঘটনার পর চাকদহ থানার নিখরগাছি এলাকায় স্থানীয় একটি ক্লাবে তাকে আটকে রেখেছিল স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই দিন রাতে এখান থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে খরকাটা এলাকায় তার লরির ধাক্কায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার নাম সাবিত্রী সাতরা(৪৫)। ওই ঘটনায় তার মেয়ে সুপ্রিয়া সাতরা আহত হয়েছে। তাকে কল্যানী জওহর লাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। সাইকেলে মা এবং মেয়ে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় কালিবাজার শিমুরালি বাজারে যাওয়ার রাস্তার ওই জায়গায় লরি তাদের ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। চিতকার চেচামেচি শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। বেশ খানিকটা দূরে লরি এবং চালককে ধরে ফেলে স্থানীয় বাসিন্দারা। তারপর থেকে স্থানীয় একটি ক্লাবে তাকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছে পুলিশ। তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বলেছেন। শেষে ক্ষতিপুরনের চেষ্টার আশ্বাস দিলেচালককে ছেড়ে দেওয়া হয়। মৃতদেহ কল্যানীর ওই হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

