চন্দ্রযান ৩ সফলভাবে চাঁদে অবতরণ হওয়ায় গর্বিত গোটা ভারত। সমস্ত জায়গায় শুধুই ইসরোর বিজ্ঞানীদের জয়গান। চন্দ্রযান তিনের সাফল্যের পেছনে যে সমস্ত বিজ্ঞানীদের অবদান আছে তাদের মধ্যে অনেকেই বঙ্গ সন্তান। আর সেই বঙ্গসন্তানদের মধ্যে একজন হলেন নদীয়ার রানাঘাটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র নির্নিমেষ দে। সে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু সেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তনী তথা নদীয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা চন্দ্রযান ৩ এর সাফল্যের অন্যতম একজন কারিগর। জানা গেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় নাকি তার কাছে এই সুযোগ আসে তখন দেশজুড়ে লকডাউন।
রাত জেগে তিনি এই প্রজেক্ট এর পেছনে কাজ করেছেন শেষপর্যন্ত সফল হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চন্দ্রযন্ত্রের প্রজেক্ট এবং সেই প্রজেক্টই ব্যবহৃত হয়েছে চন্দ্রযান তিনে। মূলত অনেকেই হয়তো জানেন না চন্দ্রযান তিনে ল্যান্ডিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে থ্রাস্টার ফায়ারিং সিকোয়েন্স অ্যালগোরিদম। যে কারণে সফট ল্যান্ডিং সম্ভব হয়েছে আর সেই ল্যান্ডিং এর প্রজেক্ট এর কাজ করেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপকের নেতৃত্বে স্নাতকের পড়ুয়ার দল আর সেই দলেই ছিলেন নির্নিমেষ।
তার বাবা নির্মল কুমার দে এবং মা টিঙ্কু দে ছেলের এই সাফল্যে অত্যন্ত গর্বিত। ২০১৮ সালের উচ্চমাধ্যমিকে ৯৪ শতাংশ নাম্বার পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ আসে। লকডাউনে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এই কাজ করা হয় এমনকি পরিবার পরিজন বন্ধু-বান্ধব কাউকে এই প্রজেক্ট এর বিষয়ে বলা বারণ ছিল।
ইসরোর সফলতার অংশীদার হতে পেরে স্বাভাবিকভাবেই খুশি এই প্রাক্তনী।

