অম্বল, বুকজ্বালা এসবের জন্য মুঠো মুঠো ওষুধ খাচ্ছেন ? সাবধান হয়ে যান আজই নাহলে বড়সড় সমস্যার মুখে পড়তে পারেন । এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে ঘরোয়া কিছু উপায় বলে দেবো আপনাদের । কারণ ডাক্তার না দেখিয়ে অ্যালোপ্যাথি ওষুধ খাওয়া শরীরের জন্য মোটেই ভাল নয়।
দ্বিতীয়ত বিপাকীয় ব্যাধির সময় মতো চিকিত্সা না করালে পরবর্তীকালে তা গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে। এখানে কিছু প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিডের হদিশ দেওয়া হল যেগুলো হঠাত্ বুকজ্বালার চিকিত্সায় ম্যাজিকের মতো কাজ করবে
ঠান্ডা দুধ: ঠান্ডা দুধে উচ্চ মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকে। তাত্ক্ষণিকভাবে অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমাতে এর জুড়ি নেই।
আসলে ঠান্ডা দুধ অ্যাসিড শোষণ করে। নতুন অ্যাসিড তৈরি হওয়া রোধ করে। তাই গ্যাস, অম্বলে ঠান্ডা দুধ প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিডের কাজ করে। এতে হজম ভাল হয়, অ্যাসিড শোষণ করায় অস্বস্তি ও ব্যথা কমে।
ক্যামোমাইল টি:ক্যামোমাইল বা ম্যাট্রিকেরিয়া ক্যামোমিলা নামক এক ধরনের ফুল থেকে এই চা তৈরি হয়। বাজারে ক্যামোমাইল চায়ের টি ব্যাগ পাওয়া যায়। সাধারণ গ্রিন টি-র মতোই এর ব্যবহার। এই চায়ে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং অ্যাসিডিটির আকস্মিক স্পাইকের কারণে হওয়া ব্যথা নিরাময়ে সহায়তা করে।
আদা: আদার অ্যান্টিমেটিক বৈশিষ্ট রয়েছে। এটা বমি এবং বমি-বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে। আদা চায়ে চুমুক দিলে অ্যাসিডিটির কারণে হওয়া প্রদাহ, ব্যথা, অস্বস্তি থেকে নিমেষে মুক্তি মেলে। তবে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ গ্রামের বেশি আদা খাওয়া উচিত নয়। ।
পাকা কলা: পটাসিয়াম-সমৃদ্ধ পাকা কলা হঠাত্ অ্যাসিডিটিকে দুর্দান্ত ভাবে রুখে দেয়। আসলে পাকা কলা ক্ষারীয় প্রকৃতির। বুকজ্বালা কমাতে সহায়তা করে। অ্যাকাডেমি অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটিক্স অনুসারে, পাকা কলা হজমের অ্যাসিডের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে এবং খাদ্যনালীর জ্বালা কমায়।
তুলসি পাতা: তুলসি পাতা ওষুধি গুণে ভরপুর। আয়ুর্বেদে একে ‘মহৌষধ’ বলা হয়েছে। অ্যাসিড রিফ্লাক্স, গ্যস এবং ফোলাজনিত অস্বস্তি নিরাময়ে এর তুলনা নেই। তুলসি পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-আলসার বৈশিষ্টও।
প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বা কাঁচা পাতা খেলে পাকস্থলীর অ্যাসিডিক মাত্রা কমাতে সাহায্য করে
এটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বলা হয়েছে ।

