গ্রাহকদের সম্পূর্ণ টাকা ১৫ দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও কিছুই হয়নি কাজের কাজ। প্রায় দেড় হাজার গ্রাহকের ক্ষোভের মুখে পড়লেন সোমবার ধানতলার কৃষি সমবায় ব্যাংকের ম্যানেজার। এই ঘটনায় চরম উত্তেনার সৃষ্টি হয় । মোতায়েন করা হয় পুলিশ
স্থানীয,প্রায় দুবছর ধরে নিজেদের সঞ্চিত অর্থ পাচ্ছেন না হেমায়েতপুর হাজরাপুর সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা। প্রায় সাড়ে তিন হাজার গ্রাহক সংখ্যা। এদের মধ্যে বেশিরভাগই বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলা। গোষ্ঠীর টাকা বাদেও মাসের পর মাস ধরে এই ব্যাংকে আটকে রাখা হয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার, বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা বলে অভিযোগ। প্রায় ৬ কোটি টাকা আর্থিক তছরূপের পরিমাণ। দীর্ঘদিন ধরে টাকা চাইতে গেলে গ্রাহকদের সঙ্গে ব্যাংক ম্যানেজার নরেশ বিশ্বাস দুর্ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ। এই নিয়ে শ দুয়েক গ্রাহক গত ২১ এপ্রিল ব্যাংকের সামনে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন । এতে সুরাহা হয়নি। সোমবার আবার ব্যাংকের সামনে প্ল্যাকার্ড, পোস্টার হাতে টাকা ফেরতের দাবি তোলেন কয়েক হাজার গ্রাহক।
সোমবার রানাঘাট উত্তর-পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূলের সমীর কুমার পোদ্দার বিক্ষোভ মঞ্চে সামিল হন। ব্যাংকের ম্যানেজার নরেশ বিশ্বাসের সঙ্গে তিনিও গ্রাহকদের সঙ্গে নিয়ে আলোচনায় বসেন। ব্যাংকের ম্যানেজার গ্রাহকরা কবে টাকা ফেরত পাবেন তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি । প্রাক্তন বিধায়ক ও গ্রাহক স্থানীয় নেতৃত্ব বৈঠক শেষে করে বলেন, কাগজে কলমে প্রায় ছ কোটি টাকার গরমিল রয়েছে। কিন্তু মোট তছরূপের পরিমাণ ১২ কোটি টাকারও বেশি। মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের টাকা গ্রামের মানুষ পাচ্ছেন না। এই শুনে মহিলা গ্রাহকরা ব্যাংকের ম্যানেজারের ওপর মারমুখী হয়ে ওঠেন। সঙ্গে সঙ্গে ধানতলা থানার বিশাল পুলিস বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ত্রনে আনেন। ব অভিযুক্ত ব্যাংক ম্যানেজার নরেশ বিশ্বাস বলেন, আমি যা ঋণ নিয়েছিলাম সেটা শোধ করে দিয়েছি। ১০ই মে পর্যন্ত সময় চেয়েছি। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে চেষ্টা করছি গ্রাহকদের টাকা ফেরানোর ।

