গয়েশপুরে ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দুই যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ঘটনায় দ্বিতীয় জনের মৃত্যু হলো মঙ্গলবার মাঝরাতে

শেষরক্ষা হলো না। গয়েশপুরে ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দুই যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ঘটনায় দ্বিতীয় জনের মৃত্যু হলো মঙ্গলবার মাঝরাতে। মৃত যুবকের নাম শ্যামল দেবনাথ। বয়স ৫০ বছর।
উল্লেখ্য, দুই যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ১ যুবক আত্মসমর্পণ করে কল্যাণী থানায়।
ঘটনাটি ঘটেছিলো গয়েশপুর পুরসভার পৌর ৭, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে। তড়িঘড়ি আহত দুই যুবককে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে। আহত দুজনের মধ্যে একজন বছর ৩৫-এর প্রদীপ শীলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ডাক্তাররা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় অন্যজন বছর ৫০-এর শ্যামল দেবনাথের চিকিতসা চলছিলো। থানায় আত্মসমর্পণ করা যুবকের নাম বিশ্ব বৈদ্য। এদের সকলেরই বাড়ি ১০ নম্বর ওয়ার্ডে। এ ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা গয়েশপুর জুড়ে। শুরু হয়ে যায় তৃণমূল-বিজেপি রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, এদিন ভরসন্ধ্যায় তিন বন্ধু মিলে একটি চায়ের দোকানের সামনে আড্ডা দিচ্ছিলো। এ সময় কোনও একটা বিষয়ে তাঁদের বচসা বাধে। অতর্কিতে বিশ্ব বৈদ্য আক্রমণ করে প্রদীপ ও শ্যামলকে। দুজনকে এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এরপর চলন্ত টোটো থামিয়ে চলে যায় কল্যাণী থানায়।
উল্লেখ্য, আক্রমণকারী যুবকের দাদা তাপস বৈদ্য ওই ওয়ার্ডের বিজেপি সভাপতি। নিহত প্রথমজন তৃণমূল কংগ্রেসের ওই ওয়ার্ডের বুথ কমিটির প্রাক্তন সভাপতি। এদিন মৃত যুবক তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী।