নদীয়া:- গতকাল বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনা কবলে পড়ে করমন্ডল এক্সপ্রেস মৃত ও আহতর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই খবর প্রচার হতেই আতঙ্কের ছাপ ট্রেন যাত্রীদের পরিবারের। ট্রেনে থাকা নদীয়ার হাবিবপুরের দুয়ার পাড় এলাকার সুখেন সুখেন রায় নামে এক যুবক বাড়ি ফিরলে আজ সকালে, বাড়িতে ফিরলেও চোখে মুখে আতঙ্ক ছাপ কাটেনি তার।
মা মলিনা রায়কে , ট্রেন দুর্ঘটনার প্রবল থেকে বেঁচে প্রথমে ফোন করেছিলেন ছেলে সুখেন রায়। জানান ভালো আছি বাড়ি ফিরছি।
এ প্রসঙ্গে বীভৎস সেই দুর্ঘটনার চাক্ষুষ প্রত্যক্ষদর্শী সুখেন রায় আমাদের জানালেন সেই লোমহর্ষক দুর্ঘটনার কথা।
তিনি বলেন, তিনি কাঠের কাজ করেন। এখানে কাজকর্ম না থাকায়, বছর সাথে আগে চেন্নাইতে যান। এই নিয়ে তার 6-7 বার যাত্রা।
গতকাল শালিমার থেকে তিনটে কুড়ির ট্রেনে তিনি উঠেছিলেন। আনুমানিক সাড়ে ছটা নাগাদ উড়িষ্যার বালাসরের কাছে হঠাৎ বীভৎস আওয়াজ এবং কাঁপুনি দিয়ে ট্রেন থেমে যায়। তার কম্পার্টমেন্টে লাগেজ সহ যাত্রীরা ট্রেনের মেঝেতে পড়ে গিয়ে ছোটখাটো আঘাত পেলেও বড়সড় কিছু হয়নি। প্রচন্ড ভয় পেয়ে, বেশ কয়েকজনকে ট্রেন থেকে হাত ধরে নামান। অবশ্য কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স গাড়ি এবং অল্প কিছু পুলিশ উপস্থিত ছিলো, সেখান থেকে কেরালা যাওয়ার বাস ট্রেন কিছুই মিলবে না জেনে ,স্থানীয়দের পরামর্শ মত আধ ঘণ্টা হেঁটে হাইওয়েতে পৌঁছান। সেখান থেকে বাসে করে শিয়ালদহ, এবং অবশেষে আজ ভোরের ট্রেন ধরে হবিবপুরের বাড়িতে।

