মলয় দে নদীয়া :- “জমি ভিটে খেয়ে সুখ হলো না, এবার স্কুল কে খেতে চলেছে রাক্ষুসে গঙ্গা” আক্ষেপের সুরে এমনই জানাচ্ছেন এলাকাবাসীরা!
গঙ্গার ভাঙন অনেক দিন যাবত চলছে,বিঘের পর বিঘে জমি বসত বাড়ি সব খেয়ে এবারের নজর স্কুল বাড়ির দিকে। বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেতে বাধ্য হয়ে স্কুল প্রশাসনের কাছে মৌখিক অনুমতি নিয়ে
এলাকার বাসিন্দারা ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গঙ্গাগর্ভ আর মাত্র পাঁচ হাত! চারজন শিক্ষক এবং চুয়াত্তর জন শিশুর ভবিষ্যৎ কি! সে বিষয়ে এখনো দোটানায় অবিভাবকেরা। এখনো পযর্ন্ত এলাকার সাংসদ এলো না দেখতে ! তা নিয়েও যথেষ্ট ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে এলাকায়।বিধায়ক যাওবা এলেন ভাঁরার শূণ্য বলে গেলেন, যদি বিধায়ক ফান্ডে টাকা আসে দেখবো বলে চলে গেলেন।ঘটনা টি কল্যানী ব্লকের বিধান সভার চাকদহ থানার চাঁদুড়িয়া দু নম্বর জিপির সান্যানচর মালোপাড়ার ঘটনা। নিজেদের প্রাণ বাজি রেখেই, সরকারী সম্পত্তি এবং শিশুদের ভবিষ্যৎ তাগিদে মরিয়া গ্রামবাসী, তৎপরতার সঙ্গে , স্কুল বাড়ির ইঁট, দরজা, জানালা, এর ভেতরের চেয়ার টেবিল বেঞ্চ, আলমারি অন্যত্র নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন মহিলারা।

