মলয় দে নদীয়া :- গত 2 রা জুন সকাল থেকেই পাম্প ও মেশিন দ্বারা কৃত্রিম জলাশয় তৈরী করে শান্তিপুর সুত্রাগর তামলি পাড়ায় সুবীর দাসের বাড়ির বাগানে বইছিলো ভাগীরথী! তবে এটি একটি পরীক্ষামূলক গবেষণা মাত্র । উক্ত বিষয়ের কর্মকর্তা হলেন ভবেশ মাহাতো, তিনি ইঞ্জিনিয়ার নন ,সরকারি বা বেসরকারি উচ্চ পদস্থ কোনো কর্মচারীও নন । তবে এ বিষয়ে তাকে সহযোগিতা করেছেন প্রভাস মাহাতো সুদীপ দাস সমাজকর্মী তুলসী অধিকারী প্রমূখ। ভবেশ বাবুর দাবি বংশপরম্পরায় গঙ্গার তীরবর্তী এলাকায় বসবাস করার জন্য মাতৃসম গঙ্গাবক্ষে বড় হয়েছেন তারা, মায়ের সাথে যেমন সন্তানের নাড়ির টান, ঠিক তেমনই তাদের সাথে গঙ্গার! দীর্ঘ 76 বছর ধরে জোয়ার ভাঁটা, খরা, বর্ষা অনুভব করেছেন আন্তরিকভাবে। এবং মানুষের কারণে আজ গঙ্গায় বেহাল দশা মেরামতি করতে হিমশিম খাচ্ছে সরকারও।
দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙছে গঙ্গার পার । বালির বস্তা, পাথর ফেলে সাময়িক স্বস্তি মিললেও স্থায়ী সমাধান অধরাই রয়ে যাচ্ছে । ঠিক এমত পরিস্থিতিতেই গঙ্গা বক্ষে তির্যক ভাবে বেড়া দিয়ে নদীর স্রোতের অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়ে গঙ্গা নদীর পাড়ের ভাঙন আটকানো সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে
তবে কৃত্রিমভাবে তৈরি জলাশয়টির মাঝে পাটকাঠির যে বেড়া সেগুলোকে লোহার পাইপ হিসাবে মনে করে অনুরূপভাবে গঙ্গা বক্ষে স্থাপন করলে তবেই মিলবে গঙ্গার পার ভাঙনের স্থায়ী সমাধান । তবে কিছুক্ষন পর জলপ্রবাহ বন্ধ করে লক্ষ্য করাও গেলো ভাঙছে না নদীর পাড় বরং জলরাশির নিচে পড়ছে চড়। ওই যাত্রাপথের কোথাও কোথাও বার তালি দিয়ে গতি রোধ করার চেষ্টার মাধ্যমে তারা স্পষ্ট বুঝতে পারেন, গঙ্গার গভীরতা খনন করা এবং লোহার পাইপের একটি খাঁচাবেড়া দিলে মিলতে পারে সুরাহা! এবং এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নদী বিশেষজ্ঞ অনুপ হালদার। এবং সরকারি মহলে তা বোঝানোর চেষ্টা করা হবে বলেই দাবি করেন ভবেশ বাবু।

