এসএফআই এবং ডি ওয়াই এফ আই এর নদীয় জেলা পরিষদ অভিযান, ঘিরে উত্তেজনা, 14 জন গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে কোতোয়ালি থানায় বিক্ষোভ

মলয় দে নদীয়া:- শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংসদ নির্বাচনের দাবিতে, সুস্থ গ্রাম পঞ্চায়েত গড়ে তোলার আবেদনে, ১০০ দিনের কাজে শ্রমিকদের ন্যূনতম ২০০ দিন কাজের দেওয়ার দাবিতে এস এফ আই এবং ডি-ওয়াই এফআই এর নদীয়া জেলা কমিটির বিভিন্ন ব্লক এবং শহর থেকে আগত প্রতিনিধিদের জেলা পরিষদ অভিযানে আজ আজ যথেষ্ট চাঞ্চল্য নদীয়া তথা সমগ্র রাজ্যজুড়ে।
কারণ সেখানে এসএফআই সর্বভারতীয় সম্পাদক ময়ুখ রঞ্জন বিশ্বাস ডি-ওয়াইএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক মীনাক্ষী মুখার্জি সভাপতি ধ্রবজ্যোতি সাহা, এস এফ আই নদীয়া জেলা কমিটি সম্পাদক নাজির হোসেন মন্ডল, ডি ওয়াই এফ আই নদীয়া জেলা কমিটির সম্পাদক রুদ্রপ্রসাদ মুখার্জী বহু নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
পূর্ব ঘোষিত এই কর্মসূচি অনুযায়ী ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে তাদের সাথে, নদীয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতির সাক্ষাতে বিলম্ব ঘটার কারণে যথেষ্টই উত্তেজিত হয়ে পড়ে ছাত্র যুব।
দুপুর একটা থেকে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কৃষ্ণনগর কালেক্টরি মোড়। বিক্ষুব্ধদের দাবি তাদের প্রথম গেটে আটকে দেওয়া হয় যার কারণে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধে এবং ধস্তাধস্তি হয়।এমনকি পুলিশ চারজনকে প্রহার করেছে বলেও তাদের অভিযোগ যারা কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে ভর্তি।বিক্ষোভকারীদের মধ্যে 14 জনকে আটক করা হলে তাদেরই একাংশ কোতোয়ালি থানার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে যদিও শেষমেশ ওই 14 জনকে এভাবে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। যদিও এরই মধ্যে ছাত্র-যুব রাজ্য নেতৃত্ব তারপর পরিষদে ডেপুটেশন জমা দেয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সিপিআইএমের ছাত্র যুব সংগঠনের এই বিপুল জমায়েতকে নিচু তলার কর্মী-সমর্থকরা সিপিআইএমের পুনরুত্থান বলে মনে করছেন অনেকেই।