এলাকার পুকুর ভরাট, ১৪৪ ধারা চলা জমিতে সিঁড়ি নির্মাণ নিয়ে ত্রিশঙ্কু সমস্যা শান্তিপুর গোডাউন মাঠে

এলাকার পুকুর ভরাট, ১৪৪ ধারা চলা জমিতে সিঁড়ি নির্মাণ নিয়ে ত্রিশঙ্কু সমস্যা শান্তিপুর গোডাউন মাঠে

মলয় দে নদীয়া :- নদীয়ার শান্তিপুর এক নম্বর ওয়ার্ডের সাথী পল্লীর বাসিন্দা জয়দেব রায় ২০২১ সালে শান্তিপুর গোডাউন মাঠ সংলগ্ন ১৫০ বর্গফুট জমি কেনেন দোকান ঘরের উদ্দেশ্যে। তিমি পেশায় আলমারি কারখানার শ্রমিক। তার জমির পেছনে একটি পুকুর এবং ডানপাশে জনপ্রিয় নীলমণি হাট।
জয়দেব বাবুর কথায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি পুকুরের সিঁড়ি করে দিতে রাজি হয় হাট মালিকদের মধ্যে এক ব্যক্তি বেচা ঘোষ। তিনি এলাকার কিছু মানুষকে বলেন জায়গা দিলে তাহলেই তিনি তা করে দেবেন। সেই মত তারা জয়দেব বাবুর জমিতেই পুকুরে নামার সিঁড়ি করতে উদ্যত হয়। মাটি কাটতে বাধা দিলে সকল গ্রামবাসীর রোশনালে পড়েন তিনি, আত্মহত্যা করতে যান ওই স্থানেই। এরপর তা কিছুটা স্থিমিত হলেও গত দুদিন ধরে চলছে সিঁড়ি তৈরির কাজ। আইন মোতাবেক ওই জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কোর্ট। সেই আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চলছে কাজ।গতকাল শান্তিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জয়দেব বাবু। অন্যদিকে ওই এলাকার মহিলারা শান্তিপুর থানায় গিয়ে একটি মার্চ পিটিশন জমা করেন জয়দেববাবু প্রমোটিং করে ওই পুকুর ভরাট করার চেষ্টা করছেন। পুকুরের চারিধার দিয়ে একের পর এক এভাবে নির্মাণ করলে সিঁড়ি কোথা দিয়ে হবে? এখান থেকে সিঁড়ি হবে জেনেই আগের মালিক জমি বিক্রি করে চলে যান, কাউকে না জানিয়ে অল্প দামে সেই জমি কিনেছেন জয়দেব বাবু।
এলাকাবাসীর একটাই দাবি পুকুর ভরাট করা কোনভাবেই যাবে না, এবং সর্বসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে ঐ সিঁড়ি নির্মাণ হবেই।স্থানীয় কাউন্সিলর মহানন্দ বিশ্বাস, বলেন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার পাশে আছি ওই এলাকায় কথা বলেছি মানুষের সাথে, আজ মিটিংয়ে বসার কথা থাকলেও তা হয়নি। তবে আইনের সহযোগিতা নিক উনি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাশে আছি।
এলাকাবাসী অবশ্য এ বিষয়ে মুখ খোলেননি কারা ওই নির্মাণ কার্য করছেন সে ব্যাপারে। অভিযোগকারীর অভিযোগ অস্বীকার করেন বেচা ঘোষও, তিনি বলেন এটা এলাকাবাসীর সাথে জয়দেব বাবুর সমস্যা, হাত মালিক হিসেবে আমাদের কাছে এলাকাবাসী দাবী করেছিল সিঁড়ি তৈরি করার আমরা তা সকলের স্বার্থে করতে প্রস্তুত।
অত্যন্ত জটিল বিষয়টি শান্তিপুর থানা বেশ কয়েকবার কাজ বন্ধ করতে এসেছে গত দুদিনের মধ্যে। আবার তাদের না থাকার মধ্যেই কিছুটা করে সিঁড়ির কাজও এগোচ্ছে।