এনসিসি হোক বা এনএসএস, ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অভিভাবক আগ্রহ কমছে ক্রমশ, 23 শে জানুয়ারি, 26 শে জানুয়ারির মতোন বিশেষ দিনেও দেখা মিলছে না সকলের চেনা অতীতের সেই চিত্র
মলয় দে নদীয়া:- শুধুই কি স্বাস্থ্যবিধির কারণে নাকি অনঅভ্যাসের ঢিলেমি? বিভিন্ন বিদ্যালয় এবং কলেজে, 15 ই আগস্ট, 23 শে জানুয়ারি, 26 শে জানুয়ারিতে শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি লক্ষ্য করা যেতো এনসিসি। নাওয়া খাওয়া ভুলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের অনুশীলনের মহড়ায় জুতোর শব্দ ছাপিয়ে যেত ক্লাব ব্যান্ড শব্দ । কিন্তু বিগত দু বছরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতো বন্ধ ছিলো খুদে সৈনিকদের শিক্ষা। অনলাইনে চেষ্টা করলেও তা ব্যবহারিক ক্ষেত্রে খুব বেশি বোধগম্য হয়না ছাত্র-ছাত্রীদের। তাই সে রাস্তাও বন্ধ। মুখের মাস্ক পরে প্যারেড এবং অন্যান্য শারীরিক কসরত করা যেমন কষ্টকর তেমন অস্বাস্থ্যকরও বটে।
আর তাই হয়তো গত 23 শে জানুয়ারি তে নদীয়ার কোনো প্রান্তেই সেভাবে দেখা যায়নি তাদের। আগামীকাল প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আমরা খোঁজ নিতে বেরিয়েছিলাম 26 শে জানুয়ারি উপলক্ষে তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে। একমাত্র শান্তিপুর শরৎকুমারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ছাড়া কোথাওই লক্ষ্য করা গেল না। অভিভাবকরা বলেন যেখানে স্কুল ছুট ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে ফেরত আনতে বেগ পেতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সেখানে এনসিসি, এনএসএস তো অনেক দূরের কথা। শিক্ষক শিক্ষিকারাও মানলেন, আগ্রহ কমছে ক্রমশ তবে, পূর্বে সরকারি খরচে শিক্ষক-শিক্ষিকারা এ,এন,ও বা এন,ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হতেন আগ্রহী শিক্ষক-শিক্ষিকারা , এখন ব্যক্তিগত খরচ এবং উদ্যোগে তা আর প্রশিক্ষণ নেন না ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের শেখানোর ব্যবস্থাও যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
তবে করোনা পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষকও আক্রান্ত হয়েছেন। তাই সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে তাদের উপস্থিতি বাতিল করেছিলেন। তবে তারা স্বীকার করেন শুধু দেশরক্ষা নয় নিজের শরীর স্বাস্থ্য মন সতেজ রাখার জন্য এবং চাকুরি ও বিভিন্ন পেশায় স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কেন্দ্র-রাজ্য দুই সরকারি দেশরক্ষার প্রতি এত নজর দেওয়া সত্ত্বেও, আগামীর সৈনিক তৈরি হচ্ছে তো?

