একদিকে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ অন্যদিকে পেটের তাগিদ, নদীয়ার শান্তিপুরে শতাধিক ক্ষৌরকার শান্তিপুর থানা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দ্বারস্থ

একদিকে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ অন্যদিকে পেটের তাগিদ, নদীয়ার শান্তিপুরে শতাধিক ক্ষৌরকার শান্তিপুর থানা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দ্বারস্থ

মলয় দে নদীয়া :- চুল দাড়ি কাটা এখন একটি শিল্পকর্মে রূপান্তরিত হয়েছে, নাপিত ভাইয়ার পরিবর্তে ক্ষৌরকর্মী এমনকি শিল্পী বলে আখ্যায়িত করা হয়।
বিগত বছরগুলোর মধ্যে দু-দুবার লকডাউনে দীর্ঘদিন অসহায় অবস্থায় কাটিয়েছেন তাঁরা। অথচ বিধানদাতা হোক বা রক্ষাকর্তা অত্যন্ত আবশ্যিক পরিষেবার মতন তারাও সমাজের সকল স্তরের মানুষের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দায়িত্ব নিয়ে থাকেন। যেমন সাফাই কর্মীদের ছাড়া এক মুহূর্ত সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা সম্ভব নয় তেমনি ক্ষৌরকার পরিষেবা ছাড়াও বাঁচা সম্ভব নয়।
অথচ তৃতীয়বারের এই লকডাউন ঘোষণার ফলে তারা পড়েছে উভয় সংকটে। তাদের পরিষেবা যোগ্য খরিদ্দার লকডাউন এর মধ্যেও বাড়িতে হোক বা বাগানে লুকিয়ে চুরিয়ে দাড়ি চুল কাটিয়েছেন অনেকেই। তবে এক্ষেত্রে সরাসরি খরিদ্বারের শরীর স্পর্শ এবং কাছাকাছি আসার কারণে করণা সংক্রমিত হওয়ার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা থাকে। তাতে একদিকে যেমন অসুবিধা ঠিক তেমনি তাদেরও অসুবিধা। বেশিরভাগ ক্ষৌরকর্মী আর্থিক দিক থেকে অত্যন্ত দুরবস্থা হওয়ার কারণে, অতীতে দীর্ঘ লকডাউনে অনেকেই অনাহারে কাটিয়েছেন।
তাই এবার শান্তিপুর থানা ক্ষৌরকার সমিতির সদস্যরা শান্তিপুর কেন্দ্রীয় ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির দারস্ত হয়েছে দোকান খোলা রাখার সুপারিশ নিয়ে। এ বিষয়ে শান্তিপুর কেন্দ্রীয় ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয় সরকারী বিধিনিষেধ কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নয়, সন্মান জানিয়েই প্রশাসনের সাথে কথা বলে সমাধানের বিকল্প পথ বেরিয়েছে । সভাপতি তারক দাস বলেন, সমগ্র দোকানঘর সহ চিরুনি খুর এবং অন্যান্য সমস্ত ব্যবহৃত সরঞ্জাম নিয়মিত স্যানিটাইজ করা, মাস্ক পরিহিত অবস্থায় সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি কে মান্যতা দিয়ে দোকান ঘরের মধ্যে একজন খরিদ্দার রেখে দোকানের দরজা বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
এবং এ সকল নিয়ম ভঙ্গকারি দোকানদারকে দোকান খোলার দ্বিতীয়বার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলেই জানান।