একই দিনে ত্রিপুরা রাজ্যের পৃথক দুইটি থানা ধীন যান দুর্ঘটনায় আহত আট জন।

একই দিনে ত্রিপুরা রাজ্যের পৃথক দুইটি থানা ধীন যান দুর্ঘটনায় আহত আট জন। দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়াতে তাদের চিকিৎসা চলছে আগরতলা জিবি হাসপাতাল। ঘটনা দুটি ঘটেছে তেলিয়ামুড়া থানাধীন খাসিয়ামঙ্গল এলাকায় এবং মুঙ্গিয়াকামী থানাধীন 37 মাইল এলাকায়। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে মোটরবাইক ও বালুর গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত মোটরবাইক চালকসহ এক মহিলা, ঘটনা মুঙ্গিয়াকামী থানাধীন ৩৭ মাইল এলাকায় মঙ্গলবার সাত সকালে।বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে আগরতলা জিবি হাসপাতাল এ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় শুভাশীষ শিব নিজ মোটরবাইক নিয়ে সহকর্মী রুপা শর্মা কে নিয়ে মুঙ্গিয়াকামি থানাধীন ৩৭ মাইল এলাকায় আসতেই অপর দিক থেকে আসা একটি বালুর গাড়ি সজোরে ধাক্কা দেয় এতে গুরুতর আহত হয় মোটর বাইক চালক শুভাশীব শিব ও মোটর বাইকের পেছনে বসে থাকা সহকর্মী রুপা শর্মা। পড়ে ঘটনার খবর পেয়ে মুঙ্গিয়াকামী থানার পুলিশ আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে। পরে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক গুরুতর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক প্রত্যক্ষ করে উন্নত চিকিতসা পরিষেবার জন্য ১০২ নম্বরের এম্বুলেন্স যুগে জি বি হাসপাতালে প্রেরণ করে দেয়।
এদিকে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে
মালবাহী গাড়িতে যাত্রী বোঝাই করার ফলে
অল্পেতে বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল যাত্রী বোঝাই গাড়ি। এতে আহত হয় দুইজন মহিলা সহ চারজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।ঘটনা তেলিয়ামুড়া থানাধীন খাসিয়া মঙ্গল বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন তেলিয়ামুড়া অমরপুর সড়কে মঙ্গলবার সন্ধ্যারাতে।
সংবাদে জানা যায়, তৈদু বাজার থেকে হাট বাজার করে TR01 AQ 1639 গাড়ি করে ট্রাফিক নিয়ম নীতি কে তোয়াক্কা না করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নিয়ে তেলিয়ামুড়া দিকে আসছিল। তেলিয়ামুড়া থানাধীন খাসিয়া মঙ্গল বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় আসতেই আচমকা গাড়ির চাকা ব্লাস্ট মারে। এতে গাড়ির চালক গাড়িটিকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারায় রাস্তার পাশে চলে আসে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় গাড়িটি।জানা গেছে গাড়ির উপরে ছিল চার জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং গাড়ির ভেতরে ছিল দুজন মহিলা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় তেলিয়ামুড়া দমকল কর্মীরা। দুর্ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় ছয়জনকে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে। ছয়জনের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের চিকিৎসা চলছে তেলিয়ামুড়া মহাকুমার হাসপাতালে ।যদিও বাকিদের তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে।
এদিকে তেলিয়ামুড়াতে প্রতিনিয়ত দেখা যায় ট্রাফিক নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে যান চালকরা অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলাফেরা করছে। বিশেষ করে লক্ষ্য করা যায় পাহাড়ি জনপদ গুলিতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে যানবাহনে চলাচলের ফলে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে। তবে এখন দেখার বিষয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।