অসুখে বিকলাঙ্গ বছর চল্লিশের পৌঢ়া গাড়ির অভাবে বাড়িতে বন্দী বিগত পাঁচ বছর

নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ:

অসুখে বিকলাঙ্গ বছর চল্লিশের পৌঢ়া গাড়ির অভাবে বাড়িতে বন্দী বিগত পাঁচ বছর।জন্মানোর দেড় বছর পরে তার জ্বর হয় আর সেই জ্বরেই তখন থেকেই বিকলাঙ্গ, হাত-পা অসার। যে বয়সে একটি সাধারণ মানুষ হাটতে শেখে সেই বয়স থেকেই পঙ্গু হয়ে বাড়িতেই বন্দি সে। ঘেটুগাছি পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কালিবাজারের জাগুলি গ্রামে এই জন্ম বিকলাঙ্গ বছর চল্লিশের পৌঢ়া পথের দিকে চেয়ে আছে যদি কেউ তাকে কোন সাহায্য করে। মা লোকের বাড়িতে কাজ করে কোন রকমে সংসার চালায়। অভাবের সংসারে কোনরকমে জোটে দুবেলার দুমুঠো খাবার। সকলের কাছে সাহায্য চেয়েছে তার বাচ্চার জন্য একটি গাড়ি কিনে দেওয়ার যাতে সে বাড়ির বাইরে বের হতে পারে। গরিব হওয়ায় তাদের সামর্থ্য নেই সেই স্পেশাল গাড়িটি তিনি তার সন্তানের জন্য জোগাড় করে দিতে পারেননি। কেউ এগিয়ে আসেনি অসহায় মানুষটির জন্য জন্য। রাজ্যে দুর্গাপুজো কালীপুজো সহ বিভিন্ন উৎসবের জন্য সরকার থেকে যখন লক্ষ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়, তখন এদের মত মানুষের জন্য নেই কোন সুব্যবস্থা। ভোটের সময় সব নেতা মনীরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কিন্তু গরিবের আস্থানায় পৌঁছায় না কোন অনুদান ভাতা। লক্ষ্মী ভাতার জন্য আবেদন জানালেও কিন্তু সেখানেও তিনি বঞ্চিত হয়েছেন। অথচ এলাকার পঞ্চায়েত উপপ্রধান বলছে অন্য কথা যে ওই তাদের পরিবার কোনরকম যোগাযোগ করেনি পঞ্চায়েতের সাথে যদি তারা যোগাযোগ করত তবে অবশ্যই গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হতো। এই নেতা-মন্ত্রীরা ভাষণ দেয় বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও কিন্তু আসলে তা যে শুধু ভাষণ হয়েই থেকে যায় বাস্তবে কখনো ফলে না তার জলজ্যান্ত উদাহরণ অসহায় এই মানুষটি।