৫১৬ বছরের পুরনো মাছের মেলায় রকমারি মাছ দেখতে ভিড় মানুষের,

নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
৫১৬ বছরের পুরনো মাছের মেলায় রকমারি মাছ দেখতে ভিড় মানুষের,
চারিদিকে শুধুই মাচার মাছ ছোট বড় মাঝারি কত রকমের মাছ। মাছের মেলা শুনেছেন কি কখনো শুনতে অবাক মনে হলেও মাছের মেলা কিন্তু বসেছে ব্যান্ডেলে। মাছ…রুই, কাতলা, ইলিশ, ভেটকি, ভোলা থেকে শুরু করে শুটকি, কোন মাছ নেই এই মেলাতে।এই দৃশ্য ব্যান্ডেলের দেবানন্দপুরের কেষ্টপুরের মাছের মেলায়। একদম ছোট্ট চুনোপুটি থেকে শুরু করে ৫০ কিলো ওজনের মাছ পর্যন্ত বিক্রি হয় এই মেলায়।থেকে ৫০ কিলো পর্যন্ত মাছ বিক্রি হয় সেখানে। চৈতন্য মহাপ্রভুর অন্যতম শিষ্য রঘুনাথ দাস গোস্বামী। তাঁর বাড়িতেই বসে ৫১৬ বছরের পুরনো মাছের মেলা। একদিনের এই মেলাকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন পসরা নিয়ে বসেন মাছ বিক্রেতারা। মেলার সূত্রপাত হয় গোবর্ধন গোস্বামীর ছেলে রঘুনাথ দাস গোস্বামী বাড়িতে প্রত্যাবর্তনের পরই। ওই এলাকার জমিদার ছিলেন গোবর্ধন গোস্বামী। তাঁর ছেলে রঘুনাথ সংসার ত্যাগ করে সন্ন্যাস গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। দূর দূরান্ত থেকে বহু মাছ ব্যবসায়ী নদী,পুকুর ছাড়াও বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের পসরা নিয়ে আসেন এই মাছের মেলাতে এবং তা বিক্রি করেন। হুগলি ছাড়াও বর্ধমান, হাওড়া, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা,বাঁকুড়া থেকেও মানুষ এই মেলায় লোকজন ভিড় করেন। তবে শুধু চায় তাই নয় আসে পাশাপাশি এখানে আয়োজন করা হয় পিকনিকেরও এবং মানুষ এসে সারম্বরে এই পিকনিকে অংশগ্রহণ করে।