স্বাধীনতার 74 বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও এ রাজ্যে এমন প্রত্যন্ত এলাকা রয়েছে যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছায়নি। এলাকার ভূমি পুত্ররা ছড়া পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে দুঃখ কষ্টকে বুকে চাপা দিয়ে। আর বর্ষাকালে তারা যাতায়াত করতে হয় নৌকা কিংবা বাঁশের বোড়া দিয়ে। বাম আর রাম উভয় কালে তাদের দুঃখ-দুর্দশা একই তিমিরে।এলাকায় একটি বিদ্যালয় থাকলেও এতে কোনো ছাত্র/ছাত্রীরাও যায় না যোগাযোগ মাধ্যমের অভাবে। কথা হচ্ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের মুঙ্গিয়াকামী আর ডি ব্লকের অধীনে হলুদিয়া এডিসি ভিলেজের খাকলাই পাড়া। এই উপজাতি পল্লীটিতে ২২ টি জনজাতি পরিবারের বসবাস। তাদের যাতায়াত করতে হয় বিলাইকাং ছড়ার মাধ্যমে পায়ে হেঁটে। আর বর্ষার দিনগুলিতে তারা নৌকা কিংবা বাঁশের বোড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। যা খুবই দুর্বিষহ এর মত ঘটনা হলেও এটাই বাস্তব। বাম জামানার ২৫ বছর খাকলাই এলাকার জনজাতির আর রাস্তা তৈরি করে দেওয়ার ব্যাপারে কেবল প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো ওই খাকলাই এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া পর্যন্ত লাগেনি। এলাকার জনজাতির আরপ্রতিশ্রুতি শ্রবণ করতে নারাজ। আর রাম আমলের ও চার বছর কেটে গেছে। বিশেষ করে ওই এলাকার কোন অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসা পরিষেবা নিতে হলে বিলাইকাং ছড়া পথে আসতে হয় বিলাইকাং এলাকায়। পরে চড়াই-উৎরাই পাহাড় অতিক্রম করে মুঙ্গিয়াকামী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসতে হয়। নতুবা মুঙ্গিয়াকামী থেকে গাড়ি যুগে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে আসতে হয়। তবে এ ব্যাপারে মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ দেববর্মা খাকলাই এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মূলত হতবাক হয়ে যান এলাকা টির রুগ্নতা প্রত্যক্ষ করে।

