সিধাবাড়িতে বুনো হাতির হামলা।

আলিপুরদুয়ার এক নং ব্লকের শালকুমার দুই নং গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন সিধাবাড়ি এলাকায় রাত্রি আনুমানাকি এক টা নাগাদ দুটি হাতি হামলা চালায়। অনেক কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করে এবং সিধাবাড়ি জি এম পি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস ঘর ভাঙচুর করে, এদিকে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বন আধিকারিক এক ব্যক্তির বাড়িতেও রান্নাঘরে ও শোয়ার ঘরে হামলা চালায়। অত্যন্ত গরিব মানুষ বিষ্ণু কার্জি তার বাড়িতেও হাতি হামলা চালায়, তার বাড়িতে যে টিভি রয়েছে সেটাও ভাঙচুর করে বুনো হাতি। বিষ্ণু কার্জি জানায় যখন হাতিটি এসে আমার ঘরে হামলা চালাচ্ছিল তখন আমি ঘরের এক কোণে চুপচাপ করে নিরুপায় হয়ে বসে আছি। যদি সেই সময় বন আধিকারিকরা না আসতো, হয়তো আমার কিছু একটা হয়ে যেত। বন আধিকাররা আসাতে আমি বেঁচে গেছি।বিষ্ণু কার্জীর কাছে বন আধিকারিকের সম্পর্কে জানতে চাইলে বিষ্ণু কার্জি বলেন,তেমন কিছু বন আধিকারীক আমাকে বলেনি শুধু একটি কথা বলেছে রাত্রিবেলা এসএমএস করা হয়েছে কিন্তু কি এসএমএস করা হয়েছে সে ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। এদিকে শচীন রায় বলেন আমার দুই বস্তা সিদ্ধ ধান খেয়েছে এবং ঘরের ওয়াল ভেঙেছে এখনে পর্যন্ত বন আধিকারিকরা আসলো না।ক্ষয়ক্ষতি দেওয়ার সম্পর্কে শচীন রায়ের কাছে জানতে চাইলে শচীন রায় বলেন কোন ক্ষয়ক্ষতি দেওয়ার কথা আমাকে বলেনি সকাল নয় ‘টা বাজলো এখনো পর্যন্ত বন আধিকারিক আসলো না দেখতে। জিএমপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজেন্দ্র নাথ ঠাকুর বলেন হাতি তো সচরাচর আসে কিন্তু বিদ্যালয়ের যে ক্ষতি করবে এটা আমি ভাবতে পারিনি। প্রধান শিক্ষক এটাও বলেন, আমার এই বিদ্যালয়ের ঘরে যে টিন রয়েছে সেই টিন গুলি ফুটা, বৃষ্টি যখন পড়ে তখন ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ের ঘরে পোড়ানো সম্ভব হয় না কারণ উপর থেকে মেঝেতে জল পড়া শুরু করে, একাধিকবার বিদ্যালয়ের ঘরের টিনের সমস্যা নিয়ে শালকুমার দুই নং গ্রাম পঞ্চায়েতে আলোচনা করা হয়েছিল কিন্তু ফলপ্রসু কিছু হয়নি।
শালকুমার থেকে মনোরঞ্জন রায়ের রিপোর্ট।