সামান্য খেলার মাঠের গন্ডগোল, তাও আবার দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে, আদৌ কি মাঠের বাইরে বেরোনো উচিত ছিলো?
মলয় দে নদীয়া ;-শান্তিপুর এম এন উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে আন্তর বিদ্যালয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলো আয়োজক এমএন উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাগআঁচরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্ররা। এক শূণ্য গোলে এম এন বিদ্যালয় পরাজিত হলে সেখানে মাঠে একটি উত্তেজনাকর পরিবেশ তৈরি হয় খেলোয়ারদের মধ্যে। বাগআঁচড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দাবি, এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তার পাশে বসা অবস্থাতেই তাদের বিদ্যালয়ের এক খেলোয়ারকে এমএন বিদ্যালয়ের খেলোয়াড় চড় মারার পর কোনরূপ শাসন করা হয়নি। অথচ এম এন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দাবি এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।
বাগআঁচড়ারা প্রধান শিক্ষকের দাবি, এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক ছাত্রদের সাথে আবেগে ভেসে গেছিলেন। এ বিষয়েও এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ছেড়ে খেলোয়ার এবং সমর্থক ছাত্রছাত্রীরা বাগআঁচড়া বাড়ি ফিরে যাওয়ার পথে জয় নিতাই মোরে আক্রান্ত হয়েছে এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের দ্বারা, যার ভিডিও আছে বলে বাগআঁচড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন। যদিও সেই ভিডিওটি বিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে জলের ট্যাঙ্ক মোড়ের কাছে এবং তাতে কোনো অপ্রিতিকর ঘটনা ধরা পড়েনি। যদিও পরবর্তীতে বাগআঁচড়া বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক বলেছেন, ছেলেটিকে চেনার জন্য ওই ভিডিওটি যথেষ্ট। কিন্তু এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সহ বেশ কিছু বহিরাগত তাদের বিদ্যালয়ের তিনজন ছাত্রী এবং দুজন ছাত্রকে মারধর করেছে, এবং সেটা ছাত্রসুভ নয় এই জন্যই, ওই স্থান থেকে একটি পাঞ্চ (গুরুতর জখম করার সহায়ক ) উদ্ধার হয়েছে।
বয়স অল্প থাকার কারণে ছাত্রদের মধ্যে বিরোধ ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ লক্ষ্য করা গেলেও, দুই বিদ্যালয়েরই ছাত্র-ছাত্রীদের নৈতিক শিক্ষাদানকারী বিচক্ষণ শিক্ষাগুরু এবং বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির সভাপতির বক্তব্যের মধ্যেই কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বরং তাদের মধ্যে একে অন্যের বিরুদ্ধে দোষারোপ অভিযোগ অস্বীকার প্রমাণ করে দিচ্ছে, দুই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আন্তরিক হলে ঘটনা হয়তো এতদূর গড়াতো না। সূত্রের খবর অনুযায়ী আমরা জানতে পেরেছি দুই বিদ্যালয়ের একজন করে শিক্ষক যদি ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত থাকতেন তাহলেই মাঠের আবেগ মাঠেই মিটে যেত, তা আর কড়া তো না রাস্তা বা হাসপাতাল পরবর্তীতে বিদ্যালয় পরিদর্শক বা শান্তিপুর থানা পর্যন্ত।
তবে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত সেদিন , যোগাযোগের অভাবে এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো ভিডিও বক্তব্য উপস্থাপিত করতে না পারার কারণে। তাই এই প্রতিবেদনে এমএন উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর দীর্ঘ বক্তব্য শোনাবো আপনাদের।

