মলয় দে নদীয়া:- করোনা প্রতিশোধক নিয়ে নানান অভাব-অভিযোগের কথা শোনা গেলেও, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার এবং স্পেশাল ক্যাটাগরি হিসাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে করোনা প্রতিষেধক টিকার কাজ অনেকটাই এগিয়েছে তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কভিশিল্ড হোক বা কোভ্যাকসিন! দ্বিতীয় ডোজের খুব বেশি গাফিলতি লক্ষ্য করা যায়নি। তবে প্রথম রোগের ক্ষেত্রে অনেকের প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। সরাসরি মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাকারী স্পেশাল ক্যাটাগরির মধ্যে সরকার এবার এমন একটি বিভাগ বেছে নিয়েছেন যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুর ভালো-মন্দের জন্য সবকিছু করতে পারেন অভিভাবকরা! আর তাদের যারা সুরক্ষিত রাখেন, অর্থাৎ জন্মদাত্রী সেই মাকে রক্ষাকবচ হিসাবে বিনামূল্যে করোনা প্রতিষেধক টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করল সরকার।
সেই মতন শান্তিপুর, ব্লগ এবং শহরে কাজ শুরু হয়েছে জোর কদমে।
বেলঘড়িয়া দু নম্বর পঞ্চায়েত, বাগআঁচড়া এইরকমই বেশ কিছু জায়গায়, মায়েদের টিকা নিতে আসার আগ্রহ লক্ষ্য করা গেলো। বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়িতে গিয়ে, স্থানীয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের টিকা প্রদানের দিনক্ষণ সময় জানিয়ে এসেছিলেন! সেই মতন হাজির হয়েছেন মায়েরা। তবে কোন কোন জায়গায় স্বাস্থ্য বিধি লঙ্ঘিত হওয়ার চিত্র ধরা পড়েছে আমাদের ক্যামেরায়, সে প্রসঙ্গে অবশ্য স্বাস্থ্য কর্মীরা জানান প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে দূরত্ব বিধি মেনে ফাঁকা জায়গায় লাইনে দাঁড় করানো সম্ভব হচ্ছেনা কোনো কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে। তবে প্রথম দিন হিসেবে একটু বাড়তি ভিড় লক্ষ করা যায়, পরবর্তী দিন থেকে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

