শান্তিপুর শহরের 7 নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রাক্তন পৌর প্রশাসক এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভরসা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে
মলয় দে নদীয়া:- লড়াইটা যে মোটেই সহজ নয় তা মানলেন শান্তিপুর পৌর নির্বাচনে সাত নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম প্রার্থী প্রীতম রায়। পেশায় মেডিকেল সাপ্লায়ার, সামাজিক সংগঠন গঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং সমাজ সেবা তার নিয়মিত অভ্যাস । তবে বামপন্থী পরিবার হওয়ার কারণে, দলের গুরু দায়িত্ব পালন করতে সম্মতি জানিয়েছে। হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী প্রাক্তন পৌর প্রশাসক সুব্রত ঘোষ শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বিগত 10 বছরের কাউন্সিলর তবে সেটা ছিলো 14 নম্বর ওয়ার্ড, মহিলা সংরক্ষিত হওয়ার কারণে তিনি এবার পাসের 7 নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী। তবে প্রীতম ওয়ার্ডের ভূমিপুত্র এ ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে বলে মনে করছে সিপিআইএম দল। জয়লাভের ভরসা বলতে স্বেচ্ছাসেবী স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং ওয়ার্ডের নাগরিকদের জন্য সময় দেওয়ার আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই নেই।
এই ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ী’ কাউন্সিলর টিকিট না পাওয়ায় একটি গুঞ্জন, সেটাও খানিকটা ভরসা জোগাতে পারে বলে ওয়ার্ডের কর্মীরা অনেকে অনুমান করছেন। শান্তিপুর বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে সৌমেন মাহাতো আজ তার সঙ্গে বেশ কিছু বাড়িতে পৌঁছালেন ভোট প্রার্থনা করতে। যদিও পৃতম দেবর লেখা এবং বাড়ি বাড়ি প্রচার তার নিজের মতন করেই শুরু করেছিল নাম ঘোষণার পর থেকেই। তবে ভোট প্রচার করে বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচার করতে গিয়ে অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রীতম জানায়, সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ঠিকঠাক যাদের পাওয়া দরকার ছিল তারা অনেকেই পেয়ে ওঠেননি, আর এই রকমই বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভের মেঘ থেকে হতে পারে বৃষ্টি। তবে জয়ী হলে উপযুক্ত প্রাপকের হাতে সরকারি সুবিধা পৌছে দেব এই আশ্বাস টুকুই দিয়েছি ওয়ার্ডের নাগরিকদের।

