শান্তিপুর পৌরসভার মাথায় জোড়া মুকুট! পৌরপতি দায়িত্ব পেলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পৌর বিষয়ক দপ্তরের অধীনস্থ দুটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে
মলয় দে নদীয়া:- দীর্ঘদিনের পৌরপতি এবং বিধায়ক প্রয়াত অজয় দে জীবিত থাকাকালীনই শেষ হয়েছিল পৌরসভার মেয়াদ। তার পরবর্তীকালে কখনো পৌর প্রশাসক কখনো বা সরকারি আধিকারিক দিয়ে চলেছে শান্তিপুর পৌরসভা। গত ১৭ই মার্চ ২০২২ এ পাকাপাকিভাবে গঠিত হয় শান্তিপুর পুরসভার বোর্ড। সভাপতি নিযুক্ত হন পূর্বের পুরো প্রশাসক সুব্রত ঘোষ। সমস্ত নাগরিকদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা, রেকর্ড সংখ্যক হাইমাস লাইট, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, বিনামূল্যে পানীয় জল সরবরাহ, এবং বিভিন্ন দপ্তরে তার সাথে কাজকর্ম পরিচালনার জন্য বারংবার প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় পুরাতন পুরসভার মাথায় চড়লো জোড়া মুকুট। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পৌর বিষয়ক দপ্তরের অধীনস্থ নীতি নির্ধারণ কমিটির ১৩ জন সদস্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অশোকনগর কল্যাণগড় হুগলির উত্তর পাড়া এবং শান্তিপুর এই তিনটি পুরসভার চেয়ারম্যান সদস্য হয়েছেন। এই কমিটির চেয়ারম্যান খলিল আহমেদ।
অপর একটি ১৯ জনের এজিএম কমিটির গভর্নিং বডির সদস্য হন শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ। যে কমিটির চেয়ারম্যান পৌরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম স্বয়ং।
আজ এই উপলক্ষে উচ্ছ্বাসের বন্যা বয়ে যায় শান্তিপুর পৌরসভা ঘিরে। কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে, বিভিন্ন ক্লাব বারোয়ার ি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে সকলেই শুভেচ্ছার জানাতে আসেন পৌরো প্রধানকে। সুব্রত ঘোষ জানান দায়িত্ব অনেক বাড়লো, শান্তিপুরের মানুষের জন্যই চেয়ারম্যান হয়েছি, তাই তাদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সর্বদা সচেষ্টা থাকবো। সর্বোপরি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী যে গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন তা, পালনে অনড় থাকবো সর্বদা।
পৌরসভার প্রধান করণিক উদয়ন মুখোপাধ্যায় বলেন, এর আগেও শান্তিপুর পুরসভার পক্ষ থেকে প্রয়াত অজয় দেও সদস্য পদে আসীন ছিলেন। এবার নীতি নির্ধারণ কমিটির দায়িত্ব পাওয়ায় স্বভাবতই শান্তিপুরবাসীর বেশ কিছু স্বপ্ন পূরণ হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

