রাস্তার পাশে সরকারি পরিত্যক্ত জমিতেই, আনাজ ফলের চাষে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন আসলান শেখ
মলয় দে নদীয়া:- নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত প্রধান রাস্তার পাশেই, ফলে রয়েছে পেঁপে, কলা গাছে বড় বড় কাঁদি রয়েছে ঝুলে। দু একটি গাছ নয়, পথের পাশে প্রায় 10 কাঠা জমিতে লংকা বেগুন নানান রকম আনাজ ফলমূল সারা বছরই দেখতে পাওয়া যায়। ব্যক্তি মালিকানা নয়, পঞ্চায়েতের জায়গাতেই ফসল ফলিয়েছেন আসলান শেখ। কিছুটা দূরে বহিরচড়া গ্রামে তার বাড়ি । বহিরচড়া থেকে বাগআঁচড়া যাওয়ার বর্তমান প্রধান সড়কটি তার বিক্রি করা জায়গা। হ্যাঁ উপযুক্ত মূল্য পেয়েছেন ঠিকই কিন্তু, মাটির প্রতি টান ভুলতে পারেননি তিনি, তাই রাস্তার পাশে ছোট একটি চায়ের দোকান চালান সাথে সারাদিন বিভিন্ন আনাজ ফল ফুল গাছের পরিচর্যা করে থাকেন। নিয়মিত
পথচলতি মানুষের নেওয়ার ইচ্ছা হলে, চায়ের দোকান আসলান শেখ কে বলেই তিনি অনুমতি দেন। কখনো বা নিজে হাতে পেড়ে দেন ফল। আর সে কারণেই কারো ঈর্ষা জন্মায়নি কখনো, পঞ্চায়েত পর্যন্ত তার প্রতি সদয়। গাছ লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং প্রাকৃতিক শোভাবর্ধন ই শুধু নয়, বিভিন্ন পাখি হনুমানেরও অবাধ বিচরণ তার বাগানে। অত্যধিক ফলনের কারণে এতসব কিছুর পরেও, যে পরিমাণ ফল আনাজ অবশিষ্ট থাকে তা বিক্রি করে অনায়াসে সংসার চলে যায়। এলাকাবাসীরা বলেন সকলেই যদি আসলানের মতো, পথের পাশের জায়গা কাজে লাগিয়ে ফসল ফলাতো, তাহলে নিজের সহ অন্যেরও আহার যোগান দিয়ে তৃপ্তি লাভ করা যেত। আসলান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, আগামী দিনে সে আমাদের করেছে অনুপ্রেরণা।

