রাস্তার ধারে জমে থাকা আবর্জনায় নাজেহাল চাকদহবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ:

রাস্তার ধারে জমে থাকা আবর্জনায় নাজেহাল চাকদহবাসী।দীর্ঘ দিন যাবত চাকদা থানার মোড় এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় জমে থাকা নোংরা আবর্জনায় নাজেহাল হয়ে উঠেছে এরা কার মানুষজন। বহু বছর পরিষ্কার করা হয় না নোংরা যে কারণে রাস্তার ধারে ডিবি জমে গেছে আবর্জনার যেখান থেকে বের হচ্ছে পচা বাঁশি গন্ধ সেরকমই বাড়ছে মশার উপদ্রব এবং ছড়াচ্ছে রোগ জীবাণু। পৌরসভা থেকেও কোনো রকম কোনো সুব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকার মানুষজন বহু আগেই পৌরসভা অভিযোগ জানালেও মেলেনি কোন উপকার। ভ্যাটের নোংরা রাস্তার ধারে জমে থাকার ফলে বেশ বিপাকে পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা কারণ যে রাস্তা দিয়ে মানুষ যাতায়াত করে সেখানেই যদি রাস্তার পাশে এমন নোংরা আবর্জনার স্তুপ তৈরি হয় তবে মানুষ কোথা দিয়ে যাতায়াত করবে।
যদিও চাকদা পৌরসভার চেয়ারম্যান অমলেন্দু দাস কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান যে খুব শীঘ্রই নোংরা আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ ওয়ার্ড ভাগ করে শুরু করে দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ডিসেম্বরেই আবর্জনা মুক্ত হতে চলেছে চাকদহ পৌরসভা।
চাকদহ পৌরসভার যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নোংরা আবর্জনা যার ফলে নিত্যদিন সমস্যায় পড়ছে সাধারণ মানুষ। নোংরা আবর্জনা জমা জায়গায় যেমন মশার উপদ্রব বাড়ছে সেরকমই রোগ জীবাণুও ছড়িয়ে পড়ছে। গত ৪২ বছরেও চালু হয়নি চাকদায় যে প্রকল্প, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ডিসেম্বরেই ছটি ওয়ার্ডের জঞ্জাল আবর্জনা মুক্ত করার কাজ শুরু করবে চাকদহ পৌরসভা। আজ সুরক্ষা ডায়গনিস্টিক সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে চাকদহ পৌরসভার চেয়ারম্যান অমলেন্দু দাস জানালেন যে গত ৪২ বছরেও যে প্রকল্প চাকদায় তৈরি হয়নি আগামী বছর থেকেই তারা ধাপে ধাপে চাকদা শহরের ২১টি ওয়ার্ডে জঞ্জাল মুক্ত করার কাজ শুরু করে দেবে। নোংরা আবর্জনার ফলে সাধারণ মানুষ যে সমস্যায় পড়ছেন তা নিত্যদিন তাদের ভাবিয়ে তুলছে তাই আগামী বছরেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু করে দেওয়া হবে। এক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন জন্য পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।