যারা পূর্বে সরকারি বাড়ি পেয়েছে,পাকা বাড়ি রয়েছে এমনকি গাড়ি,রেফ্রিজারেটর ও জমি রয়েছে তাদের আছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা তালিকায় নাম।আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন যেমন বিরোধীরা,তেমনি আবাস যোজনা তালিকায় নাম না থাকায় ক্ষোভে ফুঁসছে দরিদ্র পরিবারগুলি।শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ নং ব্লকের মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাগমারা গ্রামে আবাস যোজনা প্রকল্পে সমীক্ষার কাজ করতে গিয়ে
বিক্ষোভের মুখে পড়েন দুই সমীক্ষক কর্মী।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ,সমীক্ষকদের সঙ্গে শাসকদলের নেতা কর্মীরা সঙ্গে থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষার কাজ করাচ্ছেন।কাট মানির বিনিময়ে দলের লোককে ঘর পাইয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন তারা বলে অভিযোগ।রান্নাঘর ও গোয়ালার ঘর দেখিয়ে করাছে সমীক্ষার কাজ।যারা প্রকৃতপক্ষে ঘর পাওয়ার কথা তারা আবাস যোজনার তালিকা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।অপরদিকে এদিন এক ভিআরপি কর্মীর সঙ্গে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী মায়ের হয়ে এক হাই স্কুল শিক্ষক সমীক্ষার কাজ করতে আসলে গ্রামবাসীরা তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান।তার কাছে সমীক্ষা করার সরকারি নির্দেশিকা দেখতে চাইলে সে কিছুই দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ।এ নিয়ে এদিন বাগমারা গ্রামে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।প্রশ্ন উঠছে একজন হাই স্কুল শিক্ষক কি করে স্কুল ফাঁকি দিয়ে সরকারি নির্দেশিকা ছাড়া এই সমীক্ষার কাজ করতে পারে? যদিও ওই শিক্ষক আইনের বেড়াজাল থেকে বাঁচতে মায়ের অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন।
ওই শিক্ষক জানান,এদিন তার মা সমীক্ষার কাজ করতে আসলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পঞ্চায়েতের অলিখিত নির্দেশে মায়ের হয়ে সমীক্ষার কাজ করতে আসলে গ্রামবাসীরা তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান।
মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কিছুই জানাতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

