রাজ্য সরকারের নাইট কার্ফুর উপরে জোর দেওয়ার নির্দেশ আসতেই জেলাজুড়ে বিশেষ প্রশাসনিক তৎপরতা

মলয় দে নদীয়া :- 2019 সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হয়েছিলো, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু মিছিল ! আজ পর্যন্ত নদীয়া জেলা তার অধিবাসী 940 জনকে হারিয়েছে এই অতিমারিতে। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 51550 জন। করোনার গ্রাফ এখনো বেড়ে চলেছে হু হু করে । তৃতীয় ঢেউয়ের অপেক্ষায় সকলে। প্রথমদিকে প্রশাসনিক চোখ-রাঙানিতে হোক বা সচেতনতায়, সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা গেছে সকলকেই! রুজি রোজগারের টানেই হোক বা হোক বা দীর্ঘসময়ে গৃহবন্দীর একঘেয়েমি ! ক্রমেই স্বাস্থ্যবিধি শিথিল হতে দেখা যাচ্ছে বেশকিছু অসচেতন নাগরিকদের!
তাই আবারও, নাইট কারফিউ সুদৃঢ় করার চিন্তাভাবনা নিয়েছেন রাজ্য সরকার। সেইমতো গতকাল , নির্দেশ পৌঁছেছে প্রশাসনিক দপ্তর গুলিতে, এবং থানাতেও। কালবিলম্ব না করেই, নদীয়া জেলা কৃষ্ণনগর এবং রানাঘাট জেলা প্রশাসনের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেলো। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানা এবং কৃষ্ণনগর মহকুমা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শহর এবং ব্লক তল্লাশি করে কারণ বহির্ভূত ভাবে রাত নটার পর বাইরে বেরোনো অসচেতন নাগরিক এবং স্বাস্থ্য বিধি লংঘন করা মিলিয়ে মোট 6 জনকে গ্রেফতার করে। অন্যদিকে মাইকিংয়েরর মাধ্যমে সচেতনতা বহাল ছিলো বলেই লক্ষ্য করা যায়। জেলার কৃষ্ণগঞ্জে মাস্ক বিহীন এবং অপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন চায়ের দোকান পাড়ার মোড়ে জমায়েত করা অসচেতন মানুষদের মগজ ধোলাই করতে দেখা যায়। করিমপুর, শান্তিপুর, নবদ্বীপ ,চাকদহ বিভিন্ন জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় নাকা চেকিং লক্ষ্য করা গেছে।
রানাঘাট শহরে রাতে রানাঘাটের প্রশাসন অভিযানে নামলো রানাঘাট শহরের প্রধান রাস্তা জি এন পিসি ও সুভাষএভিনিউতে।যেসমস্ত দোকান কিংবা ব্যাবসায়ীরা রাত 9টার পর দোকান খুলে রাখছেন তাদের কে নির্দেশ দিলেন রাত 9টায় সব বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ।পরবর্তীতে যদি 9টার পর বাবস্যা কিংবা দোকান খোলা থাকে তাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জেলার নদী তীরবর্তী এলাকার খেয়াঘাট গুলিতেও সন্ধ্যার পর বন্ধ থাকছে খেয়া পারাপার।প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, ধরপাকড় প্রক্রিয়া চালু থাকবে সাথে সচেতনতার প্রচারও।
বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ম লঙ্ঘনকারী হিসাবে এখনো পর্যন্ত 17 জনকে গ্রেফতার করেছে গোটা জেলাজুড়ে।