মৎস্যজীবী এবং মাঝিমল্লারদের ভারত ভুক্তি দিবস পালন উৎসবে পরিণত হয়েছে নদীয়ার শান্তিপুর ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকায়

মৎস্যজীবী এবং মাঝিমল্লারদের ভারত ভুক্তি দিবস পালন উৎসবে পরিণত হয়েছে নদীয়ার শান্তিপুর ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকায়

মলয় দে নদীয়া:-মানচিত্র অঙ্কনে সামান্য ভুলে গর্জে উঠেছিলো সারা বাংলা। এমনকি পূর্ব পাকিস্তানের পতাকা উঠেছিলো বেশ কিছু জায়গায়। যা তৎকালীন কৃষ্ণনগরের রানী এবং শান্তিপুরের পণ্ডিত লক্ষীকান্ত মৈত্রের তৎপরতায় প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহরুর সাথে কথা বলে স্থায়ী সমাধান মেলে। স্বাধীনতার তিনদিন বাদে ১৮ই আগস্ট তিরঙ্গা পতাকা ওড়ে পুনরায়।
বালুরঘাট ,কোচবিহার মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়ার বেশ কিছু অংশ ভারত অন্তর্ভুক্তি দিবস উপলক্ষে ১৮ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়ে থাকে মহাসমরহে।
নদীয়ার শান্তিপুর ভাগীরথী তীরবর্তী বেলঘড়িয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েতের গবারচর বটতলা ঘাটে মৎস্যজীবী এবং মাঝিমল্লারদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অত্যন্ত দৃষ্টি নন্দন। পাট কাটা পচানো এবং শুকানোর ব্যস্ত থাকা নদীর জলে মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত থাকা ফুসত নামেলা কৃষক মৎস্যজীবী এবং মাঝি মল্লারদের কাছে একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে বিগত ১০ বছর যাবত। তবে জনশ্রুতি অনুযায়ী জানা যায় সেই সময়ে অর্থাৎ স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই ঘাটেই নৌকার উপরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন হতো । তাঁদের ঘরের ছেলেমেয়েরাই নাচ গান আবৃত্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মত্ত থাকে সারাদিন। আজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৃন্দাবন প্রামানিক, বেলগড়িয়া দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দীপক মন্ডল, প্রাক্তন সদস্য কৃষ্ণ সাহা বহু বিশিষ্টজন। রীতি অনুযায়ী এলাক সবচেয়ে প্রবীণ মহিলা গঙ্গাস্নান সেরে ঘাটে ওঠেন জাতীয় পতাকা নিয়ে। পরিবারের ছেলে মেয়েরাই কেউ সেজেছেন স্বামী বিবেকানন্দ কেউ বা নেতাজি কেউবা চরকা কাটা জাতির জনক মহাত্মা গান্ধী।
সম্পৃতির বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিকী সাজ সেজে খুশি কচিকাঁচারাও। গঙ্গা বক্ষে নৌকার মধ্যে এলাকার ছেলে মেয়েরাই নৃত্যানুষ্ঠান করলো যা দেখে মুগ্ধ সকলেই।