মলয় দে নদীয়া :-সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রথম থেকেই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের জেরবার জেলা প্রশাসন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের মধ্যে মতানৈক্যের কারণে কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রকৃত পক্ষেই পুলিশের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুললেও, বেশ কিছু বিষয়ে শুধুমাত্র দোষারোপের জন্যই প্রশাসনকে দায়ী করা। তবে সমগ্র নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নদীয়া শান্তিপুর ব্লকে বড়োসড়ো অশান্তি দানা বাঁধতে না পারলেও, ছোটখাটো ঘটনা নেহাত কম নয়। বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে, সরাসরি প্রশাসনের দিকে আঙ্গুল তুলে পুলিশ প্রশাসনকে শাসক দল কাজে লাগানোর অভিযোগ তুলেছে। এবং বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে তারা প্রমাণ মোতাবেক আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ড: অনির্বাণ গাঙ্গুলী, গতকাল নদীয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি তথা বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী এবং রানাঘাট তপশিলী কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার সহ বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের নেতৃত্ব থানা ঘেরাও অভিযানের মধ্য দিয়ে এ ধরনের নানান ঘটনা তুলে ধরেন জনসমক্ষে। তবে নির্বাচন প্রাক্কালে, কখনো জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কখনো বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে গত পঞ্চায়েত ভোটের নিরিখে এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হিংসা প্রবন এলাকা গুলিতে রূমার্চ করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ। নির্বাচনের পরেও বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতের মধ্যে
শান্তিপুর বেলঘড়িয়া দু নম্বর পঞ্চায়েতের গবার চর, নবলা, ফুলিয়া টাউনশিপ, গয়েশপুর পঞ্চায়েতের টেংরিডাঙ্গা সহ বেশ কয়েকটি উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় তাদের রুটমার্চ অব্যাহত।
এমনকি গতকাল বিজেপির পক্ষ থেকে শান্তিপুর থানা ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালীনও কর্তব্যে অনড় ছিলেন তারা। আজও , বেশ কিছু এলাকায় রোড মার্চ লক্ষ্য করা যায় শান্তিপুর ব্লকে।

