বাড়ি বাড়ি থেকে সংগৃহীত পরিত্যক্ত ফেলার স্তুপে মাঝেমধ্যেই আগুন! প্রত্যক্ষদর্শীর পথে উদ্দেশ্যে পরিণতভাবে, বিশেষ ব্যবস্থা শান্তিপুর পৌরসভার

মলয় দে নদীয়া:- নদীয়ার শান্তিপুর শহর এবং হরিপুর পঞ্চায়েত এলাকার সংযোগস্থলে শান্তিপুর পৌরসভার নিজস্ব জায়গায় বাড়ি বাড়ি থেকে সংগৃহীত পরিত্যক্ত ফেলার জায়গা দীর্ঘদিন যাবৎ।
প্রায়শই সেখানে রাতের অন্ধকারে সেখানে জ্বলে ওঠে আগুন। ধোঁয়ায় ওই এলাকায় বসবাসকারী মানুষজনের সমস্যা বেড়েই চলেছে ক্রমশ।
অগ্নি নির্বাপন কেন্দ্রের কর্মী থেকে শুরু করে আধিকারিকগণ ছুটে যান মাঝেমধ্যেই। তবে প্রাথমিকভাবে , ওই স্থানে ফেলা বিভিন্ন ধরনের ব্যাটারি থেকে , অথবা আবর্জনা থেকে উৎপন্ন বিশেষ ধরনের গ্যাসের ফলেও আগুন ধরতে পারে বলে মনে করেছিলেন অনেকে।
কিন্তু গতকাল, আনুমানিক রাত নটা নাগাদ আগুন ধরার পর, ওই এলাকা দিয়ে সুত্রাগড়ের রাজু চক্রবর্তী ফিরছিলেন। তিনি খবর দেন পুরসভার, প্রায় সাথে সাথেই ছুটে যান পৌরসভার সাফাই কর্মীরা। হাতেনাতে ধরা সম্ভব না হলেও, প্রত্যক্ষদর্শীর মতে ওই এলাকারই পাঁচজন যুবক অন্ধ জনক ভাবে আবর্জনা স্তূপের পেছন দিয়ে দৌড়ে পালায়। সেখানে গিয়ে লক্ষ্য করা যায় সাইকেলের পরিত্যাক্ত টায়ার জ্বলছে বেশ কয়েকটি।
পুরসভার পক্ষ থেকে নিজস্ব পাম্প , লাগানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়, যদিও এখনো সম্পূর্ণ হয়নি ওই পাম্প লাগানোর কাজ। তাই দমকল কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান আধ ঘন্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী রাজু চক্রবর্তী, বলেন কেউ বা কারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে শান্তিপুর পৌরসভা কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। সিসি ক্যামেরা না থাকার কারণে তা প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি তবে তিনি নিশ্চিত ওই এলাকারই কিছু যুবক এ কাজের সঙ্গে লিপ্ত রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। পুরসভা এবং শান্তিপুর পুলিশ প্রশাসনের কাছে বিশেষ নজরদারির আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
শান্তিপুর ফায়ার স্টেশনের ওসি সুদর্শন চক্রবর্তী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত কর্মী না থাকার সত্ত্বেও তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে, আগুন মুক্ত করার চেষ্টা করে থাকেন শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকায়। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগানো হয়ে থাকে, তাহলে একই সময়ে, অন্য একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তাই এ ধরনের, ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
পুরসভার পক্ষ থেকেও, বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেই জানা গেছে।