বাড়ির উঠোনে খোলা বৈদ্যুতিক তার, চারবার লিখিত অভিযোগ করেও মেলেনি ফল, শিশুকন্যা কে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে গৃহবধুর

বাড়ির উঠোনে খোলা বৈদ্যুতিক তার, চারবার লিখিত অভিযোগ করেও মেলেনি ফল, শিশুকন্যা কে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে গৃহবধুর

মলয় দে নদীয়া:- খোলা বৈদ্যুতিক তারে দুর্ঘটনা প্রায়শই শোনা যায়। নদীয়ার শান্তিপুর পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের জলেশ্বর তিলিপাড়ার বাসিন্দা সরমা বিশ্বাস মজুমদার, তার পাঁচ বছরের এক রতি শিশু কন্যা নিয়ে বেশিরভাগ সময় একাই থাকেন, স্বামী পুলিশ কর্মী হিসেবে কলকাতায় কাজ করার কারনে। তার অভিযোগ প্রায় দু বছর আগে কেনা জমি র উপর দিয়েই বিক্রেতা স্বপ্না হালদার, শান্ত মনি হালদার দের বৈদ্যুতিক সংযোগের তার ছিলো। বিক্রির সময় কথা দিয়েছিলেন দু মাসের মধ্যে ওই তার সরিয়ে নেওয়া হবে, কিন্তু দু’বছর পার হয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে স্বপ্ন দেবীর স্বামী পার্থ বিশ্বাসের নামে সাত মাস আগে ইলেকট্রিক গ্রাহক হিসাবের নাম অন্তর্ভুক্ত হলেও, চারবার লিখিত অভিযোগ দিয়েও মেলেনি ফল। পুলিশ কর্মীর স্ত্রী হিসেবে শান্তিপুর থানায় অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও মেলেনি ফল। আর এই কারণে বাচ্চা রয়েছে ঘর বন্দী, এমনকি অপরিচিত ব্যক্তি যদি হঠাৎ কেউ এসেও পারেন, তরিকাহত হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট। ওই বাড়ির সামনে ইলেকট্রিক অ্যাঙ্গেল ভেঙে পড়ার কারণে রাতের অন্ধকারেও যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
তবে পূর্ববর্তী জমি বিক্রেতারা জানান, সে সময় ইলেকট্রিক তার দেখেই জমি কিনেছিলেন স্বপ্না হালদার।
স্থানীয় পাড়ার যুবকরা জানান দীর্ঘদিনের সমস্যা অনেকবার বসেও মেটানো সম্ভব হয়নি, জমির মালিকানা স্বত্ব পরিবর্তিত হলেও ইলেকট্রিক তার কি হবে তা কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন না ক্রেতা বিক্রেতা কেউই।
ইলেকট্রিক সাপ্লাই সূত্রে জানা গেছে, তারা বিনামূল্যে ইলেকট্রিক পোল এবং অ্যাঙ্গেল দিতে রাজি হয়েছেন, কিন্তু পূর্ববর্তী জমির বিক্রেতা তা যদি নিতে না চান, তাহলে তাদের কিছু করার নেই। একজন গ্রাহকের ইলেকট্রিক কেটে দেওয়ার যথাযথ যুক্তি নেই।
স্থানীয় কাউন্সিলর দীপঙ্কর সাহা বলেন, দুই পরিবারের সাথে কথা বলে আবারো একবার চেষ্টা করব।