মলয় দে নদীয়া :-
১০০ দিনের কাজ সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের হকের টাকা থেকে বঞ্চিত রাজ্য এমনই অভিযোগে সরব রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস । সম্প্রতি একুশে জুলাই সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমেন্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে বলতে শোনা গিয়েছিলো, ৫ই আগস্ট এলাকায় বিজেপি নেতৃত্বের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচির কথা ।
যদিও বিভিন্ন বিরোধীদল এই বক্তব্যকে উস্কানিমূলক বলেই মনে করেছেন। আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব। তবে আদালত এ ধরনের কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়ার পর তা রূপান্তরিত হয় ৬ তারিখ অর্থাৎ আজ। যদিও বিজেপি নেতৃত্বেরবাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি পাল্টে নেতৃত্বের বুথ এলাকায় যেকোনো জায়গায় এই কর্মসূচি করার কথা ঘোষণা করে তৃণমূল কংগ্রেস হাই কম্যান্ড।
আজ শান্তিপুর ব্লক এ এবং বি তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সংসদ জগন্নাথ সরকারের বাড়ির ১০০ মিটারেরও বেশি দূরত্বে অর্থাৎ শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি দু’নম্বর পঞ্চায়েতের আড়পাড়া বাজারে একটি প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী, প্রাক্তন জেলা পরিষদের সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু, রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর মুখার্জি, নদীয়া দক্ষিণ তৃণমূল কংগ্রেস জেলা কমিটির সম্পাদক তপন সরকার, ব্লক এ তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুব্রত সরকার ব্লক বি সভাপতি কানাই দেবনাথ, আড় বান্দি দু’নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি উত্তম বিশ্বাস, সহ জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি, এবং পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে জয়ী সদস্য, ছাত্র,যুব, মহিলা শিক্ষক শ্রমিক
এসটি এসসি ওবিসি সেল, সংখ্যালঘু, নমঃশূদ্র, উদ্বাস্তুসেল সহ বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সকলেই আজ প্রতিবাদে মুখর ছিলেন, ১০০ দিনের হকের টাকা থেকে বঞ্চিত কৃষকদের বিষয়ে, অন্যদিকে, সরকারি আবাসন সহ বিভিন্ন উন্নয়নকল্পে ব্যয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এ রাজ্যকে। তারা জানান হকের টাকা আদায় করতে আগামীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিল্লিতে, যেতে চলেছেন তারা।
যদিও এ বিষয়ে সাংসদ জগন্নাথ সরকার কটাক্ষ করে বলেন, যে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে নিজেই পলাতক হয়ে যায় তার সম্পর্কে যত কম যাওয়া বলা যায় ততই ভালো, আদালতের কাছে থাপ্পড় খেয়ে প্রথমে একদিন পিছিয়ে তারপরে নেতৃত্বের বাড়ির সামনে বদলে, একটি বাজারের মধ্যে গুটিকতক লোক নিয়ে নাটক করছে ওরা, আজ আমার বাড়ি যাতায়াতের পথে দেখিনি তবে মাইকে আওয়াজ আসছিলো।

