মলয় দে নদীয়া :- অ্যান্ড্রয়েড ফোন বেজে যাচ্ছে, অথচ তুলছে না কেনো? প্রতিবেশী ছেলের এক বন্ধুর বিরুদ্ধে সামান্য এই কারণেই বাড়িথেকে চ্যালা কাঠ নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে মাথা ফাটানোর অভিযোগ উঠলো নদীয়ার শান্তিপুর হরিপুর মুসলিম পাড়ায়।
বছর পঁচিশ বয়সের আবু সালাম সেখ, কৃষি কাজ করে। তার দাদার সাথে নিজের ঘরে খাটে ঘুমিয়েছিলো, প্রতিবেশী বন্ধু কালাম শেখের বাবা জসিম শেখ বেশ কয়েকবার ফোন করে আবু সালামকে। তার কথা অনুযায়ী, ঘুম চোখে সে একবার ফোন ধরে, বুঝেছিল খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলছে না বন্ধুর বাবা জসিম শেখ। তাই সে বলে পরে কথা বলবো। আর এতেই রণচণ্ডী মূর্তি ধারণ করে প্রতিবেশী বন্ধু জসিম এবং তার বাবা কালাম। নিজেদের বাড়ি থেকে চলা কাঠ নিয়ে এসে ঘরের মধ্যে ঢুকে আবু সালামকে বেধড়ক মারতে থাকে ঠেকাতে গেলে আবুর দাদাও আক্রান্ত হয়। ছুটে আসে প্রতিবেশীরা কিন্তু ততক্ষণ মাথা ফেটেছে আবু সালামের । শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর পর শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করে আবু সালাম।
অত্যন্ত জরুরী ফোন কিনা সে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আবু বলে, গতকাল অপর এক প্রতিবেশীর মৃত্যু হয়েছে, কবরে মাটি দিতে যাওয়ার জন্যই হয়তো ফোন করেছিলো, অতশত না বুঝে ঘুম চোখে বলেছিলাম পরে কথা বলব। আর তার জন্যই এই নির্মম অত্যাচার। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে আবু।
এ বিষয়ে প্রকাশে্য মুখ খুলতে চাইনি, কালাম শেখ ও তার ছেলে জসিম। যদিও ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুজনেই পলাতক। এর পিছনে পুরনো শত্রুতা বা বিবাদ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

