ফেরিওয়ালা থেকে খড়গপুর আইআইটির পড়ুয়া, স্বপ্নের উড়ান হার মানালো দারিদ্রতাকে

নিজস্ব প্রতিবেদন, মৌমিতা দেবনাথ,

ফেরিওয়ালা থেকে খড়গপুর আইআইটির পড়ুয়া, স্বপ্নের উড়ান হার মানালো দারিদ্রতাকে।কথায় বলে কোন মানুষ স্বপ্ন দেখতে জানলে তা পূরণ করবার ক্ষমতাও রাখে। মনের ইচ্ছে শক্তি আর অদম্য সাহসিকতা থাকলে, জয় করা যায় সব বাধা বিপত্তিকে। আর সেই মনের জোরে ফেরিওয়ালা থেকে চান্স পেল খড়গপুর আই আই টি তে। মিকি মাউস এর স্রষ্টা ওয়াল্ড ডিজনি বলেছিলেন যে যদি তুমি স্বপ্ন দেখতে জানো তবে তা পূরণ করতেও পারবে। আর বাঁকুড়ার শালতোড়ার প্রত্যন্ত গ্রাম পাবনার ছোটন কর্মকার যেন এই কথাটিকে একেবারে সত্যি করে দেখিয়েছে। গ্রামের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে সিদুর মালা কানের দুল বিক্রি করতো ছোটন আর সেখান থেকেই নিজের অদম্য ইচ্ছে শক্তিতে সে পৌঁছে গেছে দেশের অন্যতম কারিগরি প্রতিষ্ঠান খড়গপুর আই আই টি তে। সেখানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এবিটিতেও ভর্তি হয়েছেন ছোটন। সকলের কাছে আজ ছোটন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দারিদ্রতাকে পিছনে ফেলে কিভাবে এগিয়ে যেতে হয়। পরিবারের জোটে নাও ঠিকমতো দুবেলা খাবার দিন আনে দিন খায় পরিবারে তাই এরকম স্বপ্ন দেখা দুঃসাধ্যের বিষয়। বাড়িতে বাবা মা ও দাদা। শালতোরার পাবরাতেই সরকারি বাংলা স্কুলে পড়াশোনা। আর যাকে নিয়ে এত কথা সেই ছোটন জানালেন যে বন্ধুরা তাকে প্রচন্ড উৎসাহিত করেছে খড়্গপুর আইআইটি নিয়ে কারণ তিনি একটি অখ্যাত গ্রামের বাসিন্দা। এ বিষয়ে তার কোন ধারনাই ছিল না। আর পরীক্ষায় বসতেই রেংকিং হয়ে গেল তারপরেও দরকার ছিল ভর্তির জন্য টাকা। সেটার ও ব্যবস্থা হয়ে যায় কোন ভাবে। অখ্যাত এক গ্রামের ফেরিওয়ালা ছেলে আজ গোটা বাঁকুড়া জেলার গর্ব হয়ে উঠেছে।