পাঁচ ওয়ারিশ থাকা সত্ত্বেও এনওসি ছাড়াই তিন বছর আগের মৃত বাবার ঘরের টাকা ঢুকলো ছোটো ছেলের একাউন্টে, মোটিভেটর এবং পঞ্চায়েত সদস্যার উপর দায় চাপিয়ে, সাফাই পঞ্চায়েত প্রধানের

পাঁচ ওয়ারিশ থাকা সত্ত্বেও এনওসি ছাড়াই তিন বছর আগের মৃত বাবার ঘরের টাকা ঢুকলো ছোটো ছেলের একাউন্টে, মোটিভেটর এবং পঞ্চায়েত সদস্যার উপর দায় চাপিয়ে, সাফাই পঞ্চায়েত প্রধানের

মলয় দে নদীয়া :- নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের হরিপুর পঞ্চায়েতের বড়ডাঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা গৌড়চন্দ্র দফাদারের মৃত্যু হয় বছর তিনেক আগে।
সম্প্রতি ছোটো ছেলে সুদেব দফাদারের একাউন্টে বাবার নামে মঞ্জুর হওয়া ঘরের টাকা ঢোকে সপ্তাহখানেক আগে। মেজো ছেলে নরোত্তম বাবুর অভিযোগ
দুই বোনের বিবাহ হয়ে যাবার পর বাবা থাকতেন তিন ছেলের আলাদা আলাদা সংসারেই। তবে ছোটো ভাই, বাবার মৃত্যুর পর বিভিন্ন কাগজপত্র দিতে চাইতেন না। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি, ঘর দেওয়ার দায়িত্বে থাকা মোটিভেটর মঞ্জু ঘোষকে টাকা দিয়ে হাত করে ছোট ভাইয়ের একাউন্টে বাবার টাকা ঢুকিয়েছে। এ বিষয়ে হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শোভা সরকার তার লিখিত অভিযোগ জমা নেননি। তবে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর শরণাপন্ন হবেন।
এ বিষয়ে আমরা কথা বলেছিলাম, মোটিভেটর মঞ্জু ঘোষের সাথে, তিনি বলেন আগে মৃত ব্যক্তি ঘরের টাকা উত্তরাধিকার সূত্রে কেউ পেতেন না, সম্প্রতি একটি সার্কুলার জারি হয়েছে যার ফলে যে ওয়ারিশ মৃতর বৈধ সমস্ত ধরনের কাগজপত্র দিতে পারবেন, তাকে ঘর দেওয়ার জন্য। এক্ষেত্রেও সুদেব দফাদার আমার কাছে কাগজপত্র জমা দিয়েছে সেই ভিত্তিতে তার একাউন্টে টাকা ঢোকানো হয়েছে।
পঞ্চায়েত প্রধান মেম্বার এবং মটিভেটরের ওপর দায় চাপিয়ে বলেন, মেম্বারের সই থাকাটা বাঞ্ছনীয়, তবে কি কারনে দেওয়া হয়েছে তা বলতে পারবেন মোটিভেটর।
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সুমিতা তরফদার জানান, এর আগে এই পরিবারের ডাকে একটি মিটিংয়ে উপস্থিত হননি মোটিভেটর, এমনকি ঘর কাকে দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে জানানো হয়নি বিন্দু বিসর্গ। তবে অন্যান্য শরিকদের এনওসি ছাড়া কিভাবে দেওয়া হল তা বলতে পারবেন যারা টাকা দিয়েছেন তারাই। তবে এলাকার মানুষের সমস্যায় নিশ্চয়ই দরবার করবো।