পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দপ্তরের তৎপরতায় দুয়ারে সরকারে আবেদনের ভিত্তিতে শান্তিপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে বিনামূল্যে পিভিসি কিউআর কোড যুক্ত সচিত্র নিবন্ধীকরণ কার্ড প্রদান

মলয় দে নদীয়া :- জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীপথে যারা জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন। রাতে অনেক সময় তারাই সমস্যায় পড়েন কখনো পুলিশি কখনো বা অন্যান্য নিরাপত্তা জনিত কারণে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে, বিনামূল্যে পিভিসি কিউআর কোড যুক্ত সচিত্র নিবদ্ধকরণ কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে তাদেরই জন্য। শুধু পরিচয় পত্র তাই নয়, ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে মৎস্যজীবী পরিবার প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যু হলে পরিবারবর্গকে দু লক্ষ টাকা সহায়তা করা হয়। এভাদেও, এই পরিচয় পত্র থাকলে বঙ্গ মৎস্য যোজনায় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সহ, বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ মাছ চাষের বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম এবং মাছেদের খাদ্য খাবার ঔষধ, মাছ বিক্রির সরঞ্জাম , দেওয়া হয় বিভিন্ন সময়ে। এবারে তাদের বার্ধক্যভাতা, মাছ চাষে ,স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া , সমবায় গঠনের মাধ্যমে মাছের বিপণন সহ নানাবিধ সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয় সরকারি তরফে।
গতকাল এবং আজ শান্তিপুর পৌরসভার উদ্যোগে, দুয়ারে সরকারে আবেদনের ভিত্তিতে 269 টি মৎস্যজীবী কার্ড প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৃন্দাবন প্রামাণিক জানান, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকল পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য সমান দৃষ্টিভঙ্গির নজির এই ব্যবস্থা।
শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেন, শান্তিপুরে ২৪ টি ওয়ার্ড এর মধ্যে ছটি বাদ দিলে 18 টি ওয়ার্ডেই মৎস্যজীবীদের বসবাস। বিগত দিনে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চলা দুয়ারে সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে , এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডেই সবচেয়ে বেশি। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত জনহিতকর সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে, এই প্রকল্পে বিপুল পরিমাণে মানুষ তাদের নিজ নিজে পেশায়, স্বাচ্ছন্দে কাজ করতে পারবে। আগ্রহী হবে এ প্রজন্ম ছেলেমেয়েরাও। কারণ সমাজে খাদ্য যোগানে মৎস্যজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।