নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করল স্কুলের কন্যাশ্রী ক্লাব।
নাবালিকার বিয়ে রুখতে এবার অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করল বিদ্যালয়ের কন্যাশ্রী ক্লাব।সরকারের তরফ থেকে যখন বারে বারে বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও এর মত ঘোষণা করা হচ্ছে। মেয়েদের উচ্চশিক্ষিত করে তোলার জন্য যেখানে বিভিন্ন প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে সেখানেই আজকের সমাজে দাঁড়িয়েও আঠেরো বছরের আগে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে মেয়ের। এমন ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্য তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। আর এবার নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করলো কন্যাশ্রী ক্লাব। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোলারে।গোলার সুশীলা বিদ্যাপীঠের পড়ুয়া অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী। বেশ কিছুদিন যাবত স্কুলে যাচ্ছিল না ওই পড়ুয়া। স্কুলের কন্যাশ্রী ক্লাবের পক্ষ থেকে খবর নেওয়ার পরই জানতে পারা যায় যে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে ওই ছাত্রীকে। স্থানীয়রা জানায়, যে আগের দিন রাতেই ওই নাবালিকার বিয়ে হয়ে গেছে। এরপর বিদ্যালয়ের কন্যাশ্রী ক্লাব ওই ছাত্রীর বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাত্রের বাড়ি ঘেরাও করে। অবিলম্বে পড়ুয়াকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায়। এরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেশপুর থানার পুলিশ। কেশপুর থানার পুলিশ এবং বিডিও ওই ছাত্রীর বাড়িতে এরপর হাজির হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই ছাত্রীকে তার বাপের বাড়িতেই দেখা যায় এবং সে কাদকাদো মুখে বলে যে বাবা-মা আমাকে বিয়ে দিয়ে দেবে বলে আমি মাসির বাড়িতে চলে গিয়েছিলাম আমি আবার স্কুলে যেতে চাই। এরপরেই বিডিও অফিসের আধিকারিকরা মুচলেকা পত্র নেয় ছাত্রীর বাবা-মায়ের কাছ থেকে। যে ১৮ বছরের আগে কোনমতেই মেয়েকে বিয়ে দেওয়া যাবে না। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায় এবং সবাই কন্যাশ্রী ক্লাবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

