মলয় দে নদীয়া :- শুকনো কিছু খাদ্যদ্রব্য ত্রিপল নয়! চাই পুনর্বাসন। নদীয়া শান্তিপুর শহরের চর সারাগর এলাকার এবছরেই এই নিয়ে মোট তিনবার ভাঙ্গনে গঙ্গাবক্ষে তলিয়ে গেছে মোট কুড়িটা গৃহস্থ পরিবারের ঘর গোয়ালঘর তাঁত কারখানা উৎপাদিত মজুদ রাখা ফসল গৃহস্থালির আসবাবপত্র মূল্যবান কাগজপত্র সব কিছু!
প্রতিবারের থেকে গতকাল রাত্রের ভাঙ্গন ছিল ভয়ানক! চোখের নিমেষে বেল গাছ, একটি ক্লাব ঘর এবং আটটি পরিবার কোনরকমে পরিবারের সদস্যদের প্রাণ বাঁচিয়ে খালি হাতে নিয়ে বেরিয়ে এসেছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। আপাতত নয় এলাকার স্কুলে মাথা গোঁজার ঠাঁই করলো কিন্তু কি খাবে, বাপ কাকার চাষের জমি, কারখানা ঘর জলের তলায়! জীবিকা হিসাবে কি ব্যবস্থা হবে, উত্তর জানা নেই কারোর! তাই অভিমানী হয়ে, সংবাদমাধ্যমকে সহযোগিতা করতেও তাদের আর ভালো লাগে না বলেই জানালেন। কিছুদিন আগে জেলা পরিষদের সভাধিপতি, স্থানীয় প্রাক্তন কাউন্সিলর ত্রিপল এবং কিছু খাদ্যদ্রব্য নিয়ে পৌঁছেছিলেন! বিডিও এসডিও পরিদর্শন করে গেছেন! এলাকাবাসীর দাবি সরকার পুনর্বাসন দেয় অনেক জায়গায় শুনেছি, আমাদের রেজিস্ট্রিকৃত কেনা জায়গায় সরকারি টেক্স খাজনা দিয়ে আসছি দীর্ঘদিন যাবৎ কাল। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সরকারি ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসন এবং স্থায়ীভাবে গঙ্গা মেরামতির দাবি করছেন এলাকাবাসী।
পুনর্বাসন এর ব্যাপারে সরকারি তরফে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছেন, তবে স্থায়ী ভাবে গঙ্গার পাড় বাঁধানোর কথা চিরাচরিতভাবে আবারো শোনা গেল তাদের মুখে।

