মলয় দে নদীয়া:- করোনা পরিস্থিতির কারণে গৃহবন্দী থাকার সময় মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করেছিলেন, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে যাবে দুয়ারে অর্থাৎ পাড়ায়।
শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া অবস্থিত বিডিও অফিসের থেকে ব্লকের দশটি পঞ্চায়েতের দূরত্ব 5 থেকে 30 কিলোমিটার পর্যন্ত! তাই আবেদনের জন্য ব্লক অফিসে না এসে, পাড়াতেই আবেদনপত্র জমা করে ছিলেন অনেকেই। গোটা প্রশাসন পালা করে পৌঁছেছিলেন বিভিন্ন গ্রামে! প্রায়, একমাস যাবত কর্মসূচি করার পর স্বাস্থ্য সাথী, মানবিক ভাতা, কন্যাশ্রী, বার্ধক্য ভাতা বিধবা ভাতা, যুবশ্রী, জমিজমা সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সমাধান চেয়ে আবেদন করেছিলেন। মাত্র দু মাসের মধ্যেই, যাবতীয় অনুসন্ধান করে আজ তারা শংসাপত্র হাতে পেলেন, বিডিও অফিস থেকে। এ বিষয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিনা প্রামানিক জানান, গত দু’দিন যাবত শংসাপত্র দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে, আজ বাবলা এবং গয়েশপুর জিপির খানিকটা অংশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে হরিপুর বাগআঁচড়া দেওয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। আরো বিভিন্ন অঞ্চল আগামীতে ধাপে ধাপে দেওয়া চলবে, এসডিও অফিস থেকে শংসাপত্র আসার ভিত্তিতে।
শংসাপত্র হাতে পেয়ে, খুশি ছাত্র-ছাত্রী থেকে মাঝবয়সী সকলেই। অনেকেই জানান, উত্তর কারণে বিভিন্ন কাগজের নথিপত্র আনতে কখনো ভুল হয়ে যেতো, সরকারি দপ্তর ব্যস্ত থাকতো অন্য কারণে, তাই প্রায়শই হয়রানির শিকার হতে হত। এবার এত সহজে হয়ে যাবে বুঝতে পারিনি। একটাই উপকৃত হয়েছেন বলে জানালেন, বেশ কিছু মাঝবয়েসী পরিবার প্রধানেরাও। তারা জানান তাদের সন্তান এখনো ছোট, কিন্তু পিতার শংসাপত্র থাকলে আগামীতে তাদের পেতে সুবিধা হবে।

