নদীয়ার নাকাশিপাড়ায় পড়াশোনা করতে চাওয়া গৃহবধূকে, অত্যাচার বালিশ চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

নদীয়ার নাকাশিপাড়ায় পড়াশোনা করতে চাওয়া গৃহবধূকে, অত্যাচার বালিশ চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

মলয় দে নদীয়া :- আবারও এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলো গোটা নাকাশিপাড়া। এমএ পাস এক গৃহবধু দিনের পর দিন তার শ্বশুর ঘরের তরফ থেকে মানসিক শারীরিক নির্যাতন সহ্য করার পরেও কেড়ে নিলো জীবন।
এমনটাই দাবি করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা । চরম অমানবিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার নাকাশিপাড়া থানার ধর্মদা গ্রামের বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায়। এলাকা সূত্রে জানা যায় ওই এলাকার বাসিন্দা বাপন শেখের সাথে রিঙ্কু গনির বিয়ে হয় বেশ কয়েক বছর আগে, তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। পড়াশোনা করার কারণে নানান অপমান লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্য করতে হয় তাকে।কিন্তু দিনের পর দিন এম এ পাস গৃহবধূর উপর চলে দিনের-পর-দিন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন…. আর এই নির্যাতন চালাত বাপন সেখের পরিবার।
গত শনিবার গৃহবধূর ওপর অত্যাচারচরম হয়ে ওঠে। তারপরে
গৃহবধূর ওপর অত্যাচারচরম হয়ে ওঠে ।তবে জানা গিয়েছে রাতে যে অত্যাচার চলছিলো… রিঙ্কু গনির ওপর সেই সময় ফোনে ছিলেন গৃহবধূর মা জাহানরা বিবি। সে ফোনের ওপার থেকে বারংবার অনুনয় বিনয় করে তার জামাই বাপন শেখ এর কাছে তার মেয়ের ওপরএমন নির্মম ভাবে অত্যাচার না চালানোর জন্য।
তবে স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করছেন বাপন শেখ তার স্ত্রীকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে। পরবর্তীতে একটি ঘরে ওড়না গলায় দিয়ে তাকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, খুনের ঘটনা চাপা দেওয়ার জন্য।
আর এই ঘটনার জানাজানি হতেই তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় ধর্মদার গোটা এলাকায়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। তবে অভিযুক্ত বাপন সেখ তার পরিবার পলাতক।
গৃহবধূ রিঙ্কু গনির পরিবার ফাঁসির দাবি করেছে বাপন সেখ এর বিরুদ্ধে। এখনো পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হওয়ার ফলে ক্ষোভ জমেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।