মলয় দে নদীয়া :- গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়া জেলার মূরুটিয়া থানার অন্তর্গত চড়ালখালি গ্রামে। নদীয়া জেলার থানারপাড়া থানার অন্তর্গত ধোড়াদহ দাসপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভাদু দাস তার মেয়ে ভৈরবি দাসের বিয়ে দিয়েছিল সাড়ে আট বছর পূর্বে শিকারপুর অঞ্চলের চাড়ালখালি গ্রামের বিশ্বজিৎ দাসের সাথে। বিয়ের পর থেকেই বিশ্বজিৎ দাসের পরিবারের লোকজন অধিক পণের দাবিতে ভৈরবী দাস এর উপরে মানসিক নির্যাতন করত। এছাড়া ভৈরবী দাসের ছয় এবং তিন বছর বয়সী দুটি কন্যা সন্তান থাকার কারণে তাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন অবহেলার চোখে দেখতো। সাধ্যমত পনের যোগানও দিত ভাদু দাস ,এমন কথা তিনি জানিয়েছেন । আজ রাত দুটোর সময় ভাদুদাস তার মেয়ে অসুস্থ হয়ে করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এমন সংবাদ পান মেয়ের শ্বশুর বাড়ির পাশের বাড়ি থেকে ফোন মারফত। তারপর তারা হাসপাতালে এসে মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখেন। এরপর মেয়ের পিতা ভাদু দাস ওই পরিবারের পাঁচজনের বিরুদ্ধে মুরুটিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিশ্বজিৎ দাস, সঞ্জয় দাস, অনিমা দাস, গৌতম দাস ও শিখা দাসের বিরুদ্ধে। মুরুটিয়া থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আজ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য করিমপুর থানার পুলিশ জেলা সদর হাসপাতাল শক্তিনগরে পাঠিয়েছে।

