নিজস্ব প্রতিবেদন,মৌমিতা দেবনাথ,
নদীয়ায় নেশার ওষুধ খাইয়ে অচৈতন্য অবস্থায় নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত।
ফের নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগে কবরের শিরোনামে নদীয়ার হাঁসখালি। এবার ১০ বছরের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী এক নাবালিকাকে নেশার ওষুধ খাইয়ে অচৈতন্য অবস্থায় ধর্ষণের অভিযোগে উঠল নদীয়ার হাঁসখালি থানা এলাকার কুঠিপাড়া ভবানীপুরের দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এরপরই ওই নাবালিকার পরিবার হাঁসখালি থানায় স্থানীয় যুবক অগ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে এদিন চতুর্থ শ্রেণীর জিএসএফ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই নাবালিকা তার দাদাকে খুঁজতে বেরোয় রাত আটটা নাগাদ। কিন্তু তার দাদা নটা নাগাদ বাড়ি ফিরে এলেও সে বাড়ি ফেরেনি। এরপর পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে খুঁজে পায়নি। পরদিন শুক্রবার ভোর চারটে নাগাদ একটি অচেনা নাম্বার থেকে ওই নাবালিকার পরিবারের কাছে ফোন যায়। এরপর ওই অচেনা নাম্বার থেকে জানানো হয় যে তাকে গাড়াপোতা এলাকায় দেখতে পাওয়া গেছে। নাবালিকার অভিযোগ রাস্তা দিয়ে দাদাকে যখন খুঁজতে যাচ্ছিলেন তখন অভ্রতা এবং আর এক যুবক তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসতে বলে। টাকা নিয়ে আসতে অস্বীকার করায় ওই নাবালিকাকে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়। এরপর নাবালিকা বাড়ি থেকে চেয়ে হাজার টাকা নিয়ে যায়। এরপর ইনাকে নাবালিকা কেননা গাড়াপোতা ব্রিজের কাছে একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ওষুধের মত কোন মাদকদ্রব্য খাইয়ে অচৈতন্য করে দেয়। এবং এর পরেই নাকি তার সাথে অশ্লীল আচরণ করা হয়। নাবালিকার পরিবার তার কাছ থেকে এই ঘটনা শোনার পর হাঁসখালি থানায় ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভ্র বিশ্বাস নামে ওই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং আর একজনকে এখনো গ্রেফতার করতে পারিনি তার তদন্ত চালাচ্ছে হাঁসখালি থানার পুলিশ। মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য বগুড়া গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

