দুর্গাপুজো ঢেড় দেরি থাকলেও, বিধায়কের তৎপরতায় শান্তিপুরে আরো ৩০ টি দুর্গাপুজো উদ্যোক্তারা সরকারি সহযোগিতা মেলায়, উৎসবের কাউন্টডাউন শুরু

মলয় দে নদীয়া:- দুর্গাপুজো এখনো ঢের দেরি! দিনের কাউন ডাউন এখনো শুরু হয়নি, মাস হিসেবে প্রায় ছমাস প্রতীক্ষার।
কিন্তু নদীয়ার শান্তিপুরে বিধায়কের তৎপরতায়, দুর্গা পূজার খুশির উৎসব শুরু হয়ে গেছে।
সমগ্র শান্তিপুর বিধানসভায় দুই শতাধিক দুর্গাপুজো চালু থাকলেও , গত বছরে সরকারের সহযোগিতার অনুমোদন পেয়েছিল মাত্র ৭৭ টি। তবে বাংলার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি মিলতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন দুর্গাপুজো বারোয়ারীকে উৎসাহিত করতে সরকারি সহযোগিতা প্রাপ্ত দুর্গাপুজোর বারোয়ারির সংখ্যা বৃদ্ধি করার সম্মতি প্রকাশ করেন। আর সেই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে
বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী তার বিধানসভার অন্তর্গত ৩৯ টি পুজোর সরকারি অনুদান বাড়িয়ে নেন এক ধাক্কায়। তবে তাতেও মুখ ভার ছিলো অনেক পূজো উদ্যোক্তাদের। বিধায়ক কথা দিয়েছিলেন, আবারো তিনি সচেষ্ট হবেন। এবারে পূজোর ঢের সময় বাকি থাকলেও, ইতিমধ্যেই তিনি আগামী বছরের জন্য ৩০ টি নতুন দুর্গাপুজোর সরকারি অর্থ বরাদ্দ বাড়াতে পেরেছেন। অর্থাৎ মোট সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো ১৪৬ টি। তবে এখনো যারা বঞ্চিত রইলেন, তাদের অনেকেরই বহু পুরাতন পূজো হলেও সেসময়ের কাগজপত্র বা অন্যান্য প্রমাণাদির কারণে আটকে রয়েছে, তবে যাদের সবকিছু ঠিকঠাক তাদের জন্য হয়তো অপেক্ষা করতে হবে আর একটি বছর। তারপরেই ১০০ শতাংশ সম্পূর্ণ হবে।
আজ সেই অনুমতি পত্র হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাসিত বিভিন্ন বারোয়ারির পক্ষ থেকে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিদান কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন তেমনি ধন্যবাদ জানান বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী কে। তবে তারা প্রত্যেকেই একমত আগে শুধুমাত্র ধর্মীয় রীতি-নীতি পালিত হতো, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে থেকে তারা শিখেছেন , সামাজিক দায়িত্ব পূরণে। তবে এলাকাবাসীদের সামান্য সহযোগিতায় সাধ পূরণ করতে হতো সাধ্যের মধ্যে। এবারে সেই সহযোগিতা পেয়ে তারা আরও অনেক বেশি সামাজিক কর্মকাণ্ড করতে চলেছেন এমনটাই জানালেন আমাদের।
এ বিষয়ে অবশ্য বিধায়ক প্রকাশ্যে মতামত দিতে রাজি হননি, জানিয়েছেন মানুষের মতামত এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন যারা মেলা খেলার, সরকার বলে থাকেন, তাদের জানা উচিত পুজোঅর্চনা শুধুমাত্র ধর্মীয় বিষয় নয় এর সাথে ঢাকি থেকে মৃৎশিল্পী, ফলমূল বিক্রেতা থেকে মন্ডপসজ্জা কর্মী, মেলায় ছোটো দোকানদার থেকে জামা কাপড় বিক্রেতা সহ সমাজের প্রায় সকল স্তরের মানুষের মধ্যে সচল থাকে অর্থনীতি।