দীর্ঘদিন বাদে আবারো দরপত্রের মাধ্যমে শান্তিপুর মহাশ্মশানের কার্যপদ্ধতি নতুন করে শুরু হলো আজ থেকে
মলয় দে নদীয়া:- 2008 সালে নবনির্মিত শ্মশানে এই প্রথম দরপত্রের মাধ্যমে শ্মশান ঘাটের রক্ষণাবেক্ষণ এবং কর্মপদ্ধতির দায়িত্ব দেওয়া হলো আজ থেকে। পৌর প্রশাসক সুব্রত ঘোষ জানান, সকলের জ্ঞাতব্যে তিনটি সংবাদপত্রে, পৌরসভার ওয়েবসাইটে এবং পৌরসভার বিজ্ঞপ্তি বোর্ডে এ বিষয়ে বিজ্ঞাপনের ভিত্তিতে 6 জন দরপত্র এবং আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন, ড্রপবক্সে। আজ সরকারি আধিকারিকদের সামনে পৌর প্রশাসক মন্ডল এর উপস্থিতিতে এবং দরপত্র প্রদানকারী প্রত্যেকের সামনে তা উন্মুক্ত করে সর্বোচ্চ দরপত্রপ্রদানকারী কে দায়িত্বভার ন্যাস্ত করা হয় 12 মাসের জন্য।
পৌরসভার সহকারি পৌর প্রশাসক শুভজিৎ দে বলেন , এর ফলে পৌরসভার বাড়তি আয় এবং কম ঝঞ্ঝাট মুক্ত হওয়া যাবে। সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাপক জানান, পৌরসভার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্যই সর্বোচ্চ দর দিয়েছিলেন তিনি, শুধু ব্যবসায়িক হিসেব-নিকেশ নয় শ্মশানের পরিবেশ, শ্মশান যাত্রীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও মানবিক ভাবে লক্ষ্য রাখবো। প্রসঙ্গত উল্লেখ, শান্তিপুর বিধানসভার মধ্যে দুটি দাহ করার ব্যবস্থা থাকলেও শান্তিপুর পৌরসভার অন্তর্গত 16 নম্বর ওয়ার্ডের রামনগর চর রোডে অবস্থিত মহাশ্মশান বহুল ব্যবহৃত এবং বহু প্রাচীন। তবে সত্তরের দশকে তৎকালীন বিধায়ক পৌরপতি অধ্যাপক অসমঞ্জ দে র মহাশ্মশান পরবর্তীতে গঙ্গা ভাঙ্গনের কবলে চলে গেলে। অসমঞ্জবাবুর মৃত্যুর পর তার ভাই অজয় দে বর্তমানে মহাশ্মশান যেখানে অবস্থিত সেখানে স্থানান্তর করেন। কাঠে দাহ করার পূর্বে ব্যবস্থা চালু থাকলেও ইলেকট্রিক চুল্লি এবং নবনির্মিত ভবন, শ্মশান যাত্রীদের প্রতীক্ষালয় পানীয় জল ইলেকট্রিক কালী মন্দির এবং অন্যান্য বেশ কিছু সংস্কার করেন তিনিই।
সম্প্রতি শান্তিপুর পৌরসভার প্রশাসক সুব্রত ঘোষ সহকারি প্রশাসক শুভজিৎ দে এবং অন্যান্য পৌর প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য মিলে শ্মশান যাত্রী শৌচালয়, প্রাচীর নির্মাণ, এবং শ্মশানের পরিবেশ উন্নত করার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন।

