মলয় দে নদীয়া:- বছরদুয়েক আগে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর মফস্বলে যেখানে ডাক্তারের অভাব আছে সেখানে টেলিমেডিসিন চালু করেছিল। রোগী ভিডিও কলের মাধ্যমে ডাক্তারের মুখোমুখি বসে সমস্যার কথা বলতেন,ডাক্তার সব শুনে প্রেশক্রিপশন করে দিতেন।প্রথম চালু হওয়ার পর এমনটাই হয়ে আসছিল।আজ টেলিমেডিসিন কেন্দ্রে গিয়ে এমন দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। ডাক্তারা ভিডিও কলে না এসেই, জি এন এম এর(নাসিং স্টাফ) পাঠানো নোটের পরিপ্রেক্ষিতে নিদান দিচ্ছেন “প্রয়োজনে কাছাকাছি কোন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করুন আর ওষুধ যা খাচ্ছেন তাই খেয়ে যান”। এভাবে দায়সারা গোছের চিকিৎসা তাদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু চিকিৎসকের মতে ভাবের ঘরে চুরি। অবিলম্বে স্বাস্থ্যদফতর দয়া করে নজর দিক ও তদারকির ব্যবস্থা করার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের আর্জি জানিয়েছেন তারা।
শান্তিপুরেও ছয়টি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রর একটিতেও দীর্ঘদিন কোন ডাক্তার নেই। প্রেশার সুগারের রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার। এমনই অভিযোগ করছেন রোগীরা।
UPHC 1,2,3 অর্থাৎ পশু হাসপাতালের পাশে, বড়বাজার এবং সুত্রাগড় মাতৃসদন।
UHWC তিনটি চরায়, সেনপাড়া বাইগাছি,শান্তিগড় কলোনী সর্বত্রই একই চেহারা ধরা পড়লো আমাদের ক্যামেরায়।
এ প্রসঙ্গে, বিজেপির থেকে কটাক্ষ করে বলা হয়, রাজ্য সরকারের মতন দেউলিয়া হয়ে গেছে শান্তিপুর পুরসভা, অন্যতম স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে ব্যর্থ পুরো প্রধান, বিধায়ক হাসপাতাল নিয়ে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল বানানোর নাটক চলছে।
সিপিআইএমের পক্ষ থেকে বলা হয়, শুধু শিক্ষা দপ্তর বা স্বাস্থ্য নয়, মানুষের কাছে সমস্ত দপ্তরের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল পরবর্তীতে মাল্টি স্পেশালিটি এভাবে নাম পরিবর্তিত হতে পারে তবে রোগীর পরিবেশ সেবা সেই বেহাল অবস্থাতেই রয়েছে। তাই আমরা দলের পক্ষ থেকে, উপযুক্ত পরিষেবার দাবি জানাই। শুধু এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নয় সমগ্র পৌর সভার বেহাল পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ে আগামীকাল একটি ডেপুটেশন দেওয়া হচ্ছে সমগ্র নাগরিকদের সাথে নিয়ে।
এ প্রসঙ্গে পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ বলেন বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দপ্তরের জানানো হয়েছে শীঘ্রই সুরাহা হবে।
বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামীও তৎপরতা দেখিয়েছেন বিষয়টি নিয়ে। তবে এখন সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাস্থ্যের হাল কবে ফেরে , তার দিকেই তাকিয়ে শান্তিপুরের পৌর নাগরিকগণ।

