মলয় দে নদীয়া :-তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে সিপিআইএম সমর্থকদের পাশে নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ কর্মীদেরই মারধরের অভিযোগ।
গুরুতর আহত অবস্থায় আজ শান্তিপুর হাসপাতালে শান্তিপুর গয়েশপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভোলাডাঙ্গা এলাকার পাঁচ ব্যক্তি গুরুতর যখম অবস্থায় ভর্তি হন শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। তাদের কাছ থেকে জানা যায়, গতকাল ভোট চলাকালীন তাদের তৃণমূল প্রার্থী মনোজান বিবির হয়ে ভোটের কাজকর্ম করছিলেন, ওই এলাকাতেই দলের প্রার্থীকে সমর্থন না করে সিপিআইএম প্রার্থী আলেখা বিবিকে জয়ী করানোর জন্য তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আরমান শেখ এবং তার ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীরা রিগিং করাতে গেলে, বচসা বাধে তৃণমূল প্রার্থী মনোজান বিবির ভোট কর্মী শাহাবুদ্দিন, সাদ্দাম শফিক, সাজু শেখদের সাথে, সেখানেই বেধরক মারধর করা হয় তাদের কাউকে লোহার রড কাউকে কোদালের ডামাড দিয়ে। শাসক দলের অঞ্চল সভাপতি হওয়ার কারণে, এবং তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার রাস্তা হওয়ার কারণে, তারা বাড়ি থেকে বেরোতে পারেননি গতকাল। তারা অভিযোগ করেন রাস্তায় বোমা পিস্তল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে গতকাল তাদের প্রত্যেকের মাথা ফাটা এবং গুরুতর অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও বাড়ি থেকে বেরোতে পারেননি। তবে আজ ভোরে, মূল রাস্তা এড়িয়ে চাষের জমির মধ্য দিয়ে তারা হাসপাতালে এসে পৌঁছান। এদের মধ্যে
শাহাবুদ্দিনের মাথায় চারটি , রফিক শেখে র মাথায় তিন জায়গায় আটটা , সাদ্দাম শেখ দুটো, সাথে কোমরের রডের বাড়ি, সফিক শেখের চারটে, সাজু শেখে মাথায় কোমরে এবং হাতে কোদালের ডামাড দিয়ে বেধরক মারধোর করে বলে জানান তারা। প্রত্যেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি আরমান শেখ, তাদের সাথে থাকা ১০-১২ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। তারা প্রত্যেকেই, শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন আমাদের। অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে আরমান শেখ কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তৃণমূল প্রার্থী মনোজান বিবিকে আমরাই টিকিট দিই অঞ্চল থেকে, যদি তাদের মারধর করি, তাহলে টিকিটটাই তো দিতাম না, বরং তার স্বামী খবির শেখ, পাশের এলাকাতে তিনি এবং অপর দুজন নির্দল প্রার্থী হিসেবে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ঘটনা তদন্ত হোক পুলিশ খতিয়ে দেখুক।
এ প্রসঙ্গে খবির শেখ জানান, আরমান শেখ অতীতের সিপিআইএম করতেন, বর্তমান সিপিআইএম প্রার্থী তার আত্মীয়, তাই তাকে জয়ী করানোর অপচেষ্টা।

