মলয় দে নদীয়া :-
শান্তিপুর সূত্রাগড় কন্যা পাঠশালায়, ঘড়িতে ঠিক দশটা, মিড ডে মিলের কর্মীরা গেটের সামনে দাঁড়িয়ে, ছাত্রছাত্রীরা ও একে একে এসে ফিরে গেলো দীর্ঘক্ষণ ধরে শিক্ষকদের ফোনে না পেয়ে। বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষক শিক্ষিকার মধ্যে এলেন না কেউই! পার্শ্ববর্তী শিক্ষকদের চেষ্টাও বিফলে।
অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক গৌতম কুমার পাল জানালেন, কী করে এমন হল,সেটা আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।সেটার তদন্ত করে দেখে বিভাগীয় উচ্চ মহলে জানানো হবে হবে।
শান্তিপুর তন্তুবায় সংঘ প্রাইমারি স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার মানস দে জানিয়েছেন,’বামফ্রন্ট সরকার যে সমস্ত স্কুল শিক্ষকদের নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ করেছিল, সে সময় আমরাও শিক্ষক ছিলাম, রুলসকে গুরুত্ব না দিয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছিলো। প্রতিবাদ করেছি তবে, বিদ্যালয় বন্ধ করে নয়।
কিন্তু বর্তমান সরকার দু বছরের মধ্যে তাদের ডি এল এড এর ব্যবস্থা করেছেন।কিন্তু সেইদিকে কেউ নজর দিচ্ছেন না।সামান্য ডি এর জন্য সমস্ত পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার আমরা বিরোধিতা করছি।’
পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয়ের অপর এক শিক্ষক রাজিব সাহা আজকের এই ধর্মঘটকে রাজনৈতিক মাত্রা দেওয়া হয়েছে। মানবিক মুখ্যমন্ত্রী এত রকমের প্রকল্প জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষের জন্য আর সেখানে, সামান্য ডি এ ও পরিশোধ করবেন এ বিষয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ থাকেনা। ইতিমধ্যেই ৩% দিয়েছেন বাকি ধীরে ধীরে নিশ্চয়ই পরিষোধ হয়ে যাবে, শিক্ষক হিসেবে ছাত্রদের পড়াশোনা এবং মিড ডে মিলের মতন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বঞ্চিত রেখে শিক্ষক সুলভ আচরণ প্রকাশ পায়নি।

