জেলার বিভিন্ন শহরে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে তৃণমূলের ওয়ার্ড ভিত্তিক কর্মীসভায় যুব এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বৈষম্য বাড়ছে

জেলার বিভিন্ন শহরে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে তৃণমূলের ওয়ার্ড ভিত্তিক কর্মীসভায় যুব এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বৈষম্য বাড়ছে

মলয় দে নদীয়া:- একটু পেছলেও ভোট নিশ্চিত চারটি পৌর এলাকায়। দিনক্ষণ না ঘোষিত না হলেও রাজ্যের আরো 106 টি পৌর ভোট হতে চলেছে শীঘ্রই‌। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতেই, স্থানীয় স্তরের তৃণমূল নেতৃত্ব জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রস্তুতি সভা হিসাবে আয়োজন করছে। নদীয়ার রানাঘাটে বিগত চার দিন ধরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে এইরকম কর্মী সভায় উপস্থিত হচ্ছেন জেলা সভাপতি রত্না ঘোষ কর, শহর সভাপতি পবিত্র ব্রহ্ম, প্রাক্তন সভাপতি অসিত দত্ত, যুব সভাপতি রঞ্জিত পাল, পৌরসভার চেয়ারপারসন কোশল দেব বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাইস চেয়ারপারসন শেখর মুহুরী সহ ছাত্র এবং মহিলা নেতৃত্ব উপস্থিত থাকছেন। আজ শহরের 6 নম্বর ওয়ার্ডের এরকম একসভায় বেশকিছু সিপিআইএম এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকদের যোগদান কে কেন্দ্র করে বচসা শুরু হয় যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যদের সাথে। তাদের দাবি গত বিধানসভা নির্বাচনে যারা জল মাপছিলো, স্থানীয় নেতৃত্বদের সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই আজ তাদের দলে যোগদান যথেষ্ট ক্ষোভের সঞ্চার হবে বুথ স্তরে। এ বিষয়ে শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রঞ্জিত পাল জানান, যারা সভার বিরুদ্ধাচরণ করেছেন তাদের সাবধান করেছি, তবে তাদের অসন্তোষের বিষয়টিও ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানাবো। যদিও জেলা দক্ষিন সাংগঠনিক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রত্না ঘোষ কর কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেই জানান, তিনি বলেন বৃহৎ শক্তিশালী তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারে সকলে একত্রিত হয়েই চলছে এ ধরনের সভা। তবে দলীয় বুথ স্তরের যুব নেতৃত্বকে এ ধরনের মিটিংয়ে দেখা গেলেও জেলা স্তরের কোন যুব নেতৃত্বকে দেখা যাচ্ছে না। যে কোনো দলীয় কর্মসূচিতে প্রায়শই লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের গা-ছাড়া ভাব। অন্যদিকে তাদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন না রত্না ঘোষ কর। স্বভাবতই এনিয়ে উঠছে প্রশ্ন, দলীয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে, একসাথে চলার কথা বলছেন সেখানে জেলা উত্তর সাংগঠন হোক বা দক্ষিণ দুটি বিভাগেই নেতৃত্বদের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা ক্রমশ প্রকট হচ্ছে।